কুণাল ইন, সুদীপ আউট! তৃণমূলে বড়সড় রদবদল, সাংগঠনিক সমীকরণে নতুন বার্তা

কুণাল ঘোষকে উত্তর কলকাতার দায়িত্ব, ওয়ার্কিং কমিটি থেকে বাদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মালা রায়। তৃণমূলে সাংগঠনিক রদবদলে শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে চলা টানাপোড়েনের মাঝেই এল বড় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত। কুণাল ঘোষকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়মালা রায়কে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে জোর রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। দলের ওয়ার্কিং কমিটি থেকে একাধিক পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বার্তা দিল নেতৃত্ব।

কুণাল ইন, সুদীপ আউট— এই সিদ্ধান্ত ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, দলীয় সাংগঠনিক কাঠামোয় একাধিক পরিবর্তন এনে নতুন মুখদের দায়িত্বে তুলে আনতে চেয়েছে নেতৃত্ব।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিদ্রোহী সাংসদ হিসেবে পরিচিত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মালা রায়কে তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সাংসদ সৌগত রায় এবং রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে।

একইসঙ্গে কলকাতা সংগঠনেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতির পদ থেকে সরানো হয়েছে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে।

দলের মহিলা সংগঠনেও বড় রদবদল হয়েছে। মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর পদ থেকে মালা রায়কে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আলিশা আহমেদকে। এই সিদ্ধান্তকে আগামী দিনের সাংগঠনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

তৃণমূলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে দলের একাংশের অসন্তোষ এবং সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের আবহে নেতৃত্ব যে নতুন বার্তা দিতে চাইছে, এই সিদ্ধান্তে তার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণাল ঘোষকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা শুধু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং দলের ভবিষ্যৎ কৌশলেরও প্রতিফলন। একইসঙ্গে ওয়ার্কিং কমিটি ও জেলা নেতৃত্বে পরিবর্তন করে তৃণমূল নতুন করে সংগঠনকে সাজানোর চেষ্টা করছে।

তবে এই রদবদলের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী হবে, তা এখনই বলা কঠিন। কিন্তু কুণাল ঘোষের উত্থান এবং সুদীপ-মালা রায়ের অপসারণ যে তৃণমূলের অন্দরে নতুন রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর