আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, ৩০ তারিখ গান্ধী মূর্তির পাদদেশে আপনাদের ধর্না প্রোগামটি করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে চাকরি প্রার্থীদের কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে হবু শিক্ষকদের ধর্না বন্ধ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
টানা তিন দফায় ৬১৯ দিনে পড়ল হবু শিক্ষকদের আন্দোলন। তবুও সরকারের তরফে মেলেনি উত্তর। সমস্ত প্রতিকুলতাকে উপেক্ষা করে এখনও রাস্তায় বসে চাকরি প্রার্থীরা। তাই বুকভরা ব্যাথা নিয়ে জ্যান্ত লাশ হয়ে শুয়ে সরকারের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করলেন হবু শিক্ষকরা।
চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আবার তাতে হস্তক্ষেপ করেছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু নিয়োগে অস্বচ্ছতার কারণে বারবার বঞ্চিত হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। তবুও আশা বিন্দুমাত্র না ছেড়ে তিন দফায় ৬০৯ দিন ধরে আন্দোলন জারি রেখেছেন চাকরি প্রার্থীরা। এখন তাঁদের ঠিকানা ধর্মতলার গান্ধী মূর্তির পাদদেশ।
নিয়োগে অস্বচ্ছতার কারণে বারবার বঞ্চিত হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাই তিন দফায় চাকরি প্রার্থীদের ৬০০ দিন ধরে আন্দোলন। আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন এসএলএসটি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর চাকরি প্রার্থীরা। শুক্রবার তাঁদের ধর্নামঞ্চে উপস্থিত হলেন বাম নেতৃত্ব।
যারা দিনের পর দিন এখানে বসে অপেক্ষা করছে, চোখের জল ফেলছে তাঁদের প্রতি আপনার বক্তব্য কী? আপনি উৎসব করছেন, কিন্তু আমাদের উৎসব কী হবে? দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলনের পর অপেক্ষারত হবু শিক্ষকদের আন্দোলনের ভাষা এই মুহুর্তে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় শুরু করেছে।
ব্রাত্য জানিয়েছেন, ‘‘আমরা দাবি শুনেছি। আইনিভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। আরও পদ তৈরি করতে হবে। সেটা শুধু আমাদের হাতে নয়। অর্থ দফতর এবং মুখ্যমন্ত্রীরও মত নিতে হবে। সব দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কত পদ তৈরি করতে হবে, তা দেখার জন্য এসএসসিকে বলেছি। সেটা জানার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’