একইসঙ্গে প্রতিমাসের ট্যারিফ রিচার্জ করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কারণ, প্রতিমাসেই বেড়ে চলেছে মূল্য। সমাজের একেবারে প্রান্ত সীমার মানুষের কাছে তা একেবারেই সজলভ্য নয়। এছাড়াও শারীরবৃত্তীয়ভাবে স্কুল কলেজ না খোলার কারণে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে
উল্লেখ্য, কবে রাজ্যে স্কুল কলেজ খুলবে? এই প্রশ্নে সরব হয়েছিল বিভিন্ন মহল। অবিলম্বে স্কুল খোলার দাবীতে শিক্ষামন্ত্রীকে ডেপুটেশন এসএএফআইয়ের। সেখানেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এসএফআই নেতৃত্ব।
তাঁরা প্রস্তুত। তবে এবারে যেহেতু কোভিডের ধরণ বদলেছে তাই কাজের পদ্ধতিও বদলাবে। গতবার মানুষের প্রাণ বাঁচানোর লক্ষ্যে ঝাঁপিয়েছিলেন তাঁরা। এবার তার সাথে যুক্ত হবে খাবার ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়া।
ব্রাত্য কেন যোগ্যরা? বুধবার একই ইস্যুতে করুণাময়ীতে মিছিল করেন বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। দীর্ঘ সময় ধরে ধরপাকড়ের পর মীনাক্ষী-সৃজনদের গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বাম নেতৃত্ব।
তবে সমস্ত কিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আন্দোলনকারীরা সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চাইলে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে, যারফলে গ্রেফতার ও করা হয় বেশ কিছু আন্দোলনকারী কে।
মমতার পাড়ায় প্রচার করতে পারবেন না শ্রীজীব, মেইল করে জানালো পুলিশ মমতা বন্ধোপাধ্যায়ের বাড়ি লাগোয়া এলাকা তথা হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট এবং হাজরা রোড ক্রসিং লাগোয়া বলরাম বসু ঘাট রোড এলাকায় বাড়ি বাড়ি প্রচারের অনুমতি দেওয়া যাবে না শ্রীজীব কে।