নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়িঃ করোনার কারণে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ। যার জেরে পড়াশুনা বন্ধ রয়েছে। মোবাইল কেনার সামর্থ্য নেই অনেকের। এমত অবস্থায় ‘বিকল্প পাঠশালা’ চালু করল এসএফআই। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার কারণে আর ঘরে বসে থাকতে পারছে না শিশুরা। তাঁরা চাইছে মাটির ছোঁয়া এবং বন্ধুদের সঙ্গ। দাবী এসএফআই নেতৃত্বের।
আরও পড়ুনঃ কলকাতার ডোরিনা ক্রসিংয়ে উল্টে গেল বাস, আহত কমপক্ষে ১৫


তাঁদের বক্তব্য, গত দুবছরের বেশী সময় ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে বাচ্চাদের পড়াশোনা। আর কবে পড়াশোনা শুরু হবে?এইভাবে চলতে শুরু হলে ভবিষ্যতে তো আর কোন জীবন থাকবে না বাচ্চাদের। সরকার কবে কি করবে তার জন্য অপেক্ষা না করে আমরা নিজেরাই উদ্দ্যোগ নিয়েছি ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা শুরু করার।এখানে পড়াশোনা করতে ছাত্রছাত্রীদের কোন অর্থ লাগবে না। ছাত্রদের পড়াশুনাতে ফিরিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য।
কবে খুলবে স্কুল, এই দাবীতে একাধিকবার সরব হতে দেখা গিয়েছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলিকে। এমনকি এবিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে চারটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতে সওয়াল জবাব পর্বে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, অনলাইন ক্লাসের সঠিক পরিকাঠামো নেই। সেকারণে বাড়ছে স্কুলছুটের সংখ্যা। একইসঙ্গে তাঁদের বক্তব্য শারীরবৃত্তীয়ভাবে শিক্ষার যে গুণগত মানের দরকার হয় সেটা অনলাইনে হয় না। ফলে শিক্ষার মান নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকে যায়। তাহলে কী আবার স্কুলে ফিরে আসবে? সেবিষয়ে সরকার কিছু উদ্যোগ নিচ্ছে কী?
মোবাইল কেনার সামর্থ্য নেই অনেকের, বিকল্প এসএফআইয়ের

বলা হচ্ছে অনলাইনে শিক্ষা প্রদান করতে শুরু করলে ডিজিটাল ডিভাইড তৈরি হবে। সমাজের যারা নিম্নবর্গীয় মানুষ তাঁদের কাছে টো অনলাইন ডিভাইস নেই। একইসঙ্গে প্রতিমাসের ট্যারিফ রিচার্জ করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কারণ, প্রতিমাসেই বেড়ে চলেছে মূল্য। সমাজের একেবারে প্রান্ত সীমার মানুষের কাছে তা একেবারেই সজলভ্য নয়। এছাড়াও শারীরবৃত্তীয়ভাবে স্কুল কলেজ না খোলার কারণে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।









