দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হতেই পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের সরাসরি বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী—রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন, আর গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করুন। বিশেষ করে নারী ও যুব ভোটারদের উদ্দেশে তাঁর আহ্বান, বুথমুখী হয়ে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করুন। এই বার্তার মধ্যেই স্পষ্ট, দ্বিতীয় দফার ভোটে অংশগ্রহণ বাড়ানোই এখন রাজনৈতিকভাবে বড় লক্ষ্য।
বুধবার সকালে বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষাতেই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে আরও প্রাণবন্ত ও অংশগ্রহণমূলক করে তুলবে। বিশেষভাবে তিনি জোর দেন পশ্চিমবঙ্গের নারীশক্তি ও যুবসমাজের উপর, তাঁদের বৃহৎ উপস্থিতিকেই গণতন্ত্রের শক্তি হিসেবে তুলে ধরেন।


প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা শুধুমাত্র একটি শুভেচ্ছাবার্তা নয়, বরং ভোটারদের বুথে টানার কৌশল হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ, এবারের নির্বাচনে মহিলা ভোটার এবং প্রথমবারের তরুণ ভোটাররা ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচারে যেমন ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর মতো প্রকল্প, তেমনই কর্মসংস্থানের প্রশ্ন—এই দুই গোষ্ঠীকেই কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে।
প্রথম দফার ভোটে ১৫২টি আসনে উল্লেখযোগ্য ভোটদানের হার নজর কেড়েছিল। সেই ধারা দ্বিতীয় দফাতেও বজায় থাকবে কি না, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা বিজেপি কর্মীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও ভোটদানে আগ্রহ বাড়াতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় দফার ভোটের শুরুতেই নারী ও যুব ভোটারদের কেন্দ্র করে রাজনৈতিক লড়াই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল।









