সন্দেশখালিকাণ্ডে ক্রমেই পারদ চড়ছে রাজ্য-রাজনীতির। শুধু রাজ্য কেন কেন্দ্রের তরফেও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে রাজ্য প্রশাসনের উপর। এর আগে সন্দেশখালি ঘুরে এসেছে জাতীয় এসসি কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। এবার বুধবার আবার সন্দেশখালি যাবেন জাতীয় তফসিলি কমিশনের প্রতিনিধি দল। তার আগেই রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও ডিজিপি রাজীব কুমারের কাছে জবাব চেয়ে নোটিস পাঠাল কমিশন।
প্রসঙ্গত, এই আইপিএস অফিসার সিপিআইএম আমল থেকে বাংলা কর্মরত। সেদিন খলিস্তানি বলার পর তিনিও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলেন, "আমি পাগড়ি পরেছি বলে আমি খলিস্তানি হয়ে গেলাম!" এই বিষয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, "সেদিন উচিৎ ছিল বিজেপি নেতারদের ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া। এটাই বিজেপির নোংরা সংস্কৃতি। পুলিশ যদিও সেদিন সংযম দেখিয়েছে। তাই কিছু করা হয়নি।"
এর আগে গত সোমবার সন্দেশখালি যেতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় সেখানে জারি ছিল ১৪৪ ধারা। এরপর কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে পাঁচটি জায়গা থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়। শুভেন্দু অধিকারীকেও সন্দেশখালিতে প্রবেশে অনুমতি দেয় আদালত।
মাঝে সেখানে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, সন্দেশখালিতে তাঁদের প্রবেশ রুখতেই রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করে সিপিআইএম। আদালতের নির্দেশে সন্দেশখালির পাঁচটি জায়গা থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়।