গত ৫ই জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হয় ইডি। সেই থেকে শিরোনামে ওঠে সন্দেশখালি। এরপর ধীরে ধীরে সামনে আসে জমি ভেড়ি দখল এবং মহিলা নির্যাতনের মত বিভিন্ন ঘটনা। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন শেখ শাহজাহান সহ তাঁর অনুগামীরা। এদিকে তৃণমূলের তরফে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়। যেখানে দেখা গিয়েছে, বিজেপির মন্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল টাকার বিনিময়ে মহিলা নির্যাতনের মত স্পর্শকাতর বিষয়কে সাজানোর পরিকল্পনা করছেন।
শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, সন্দেশখালির মহিলাদের উপর নির্যাতন এবং জমি-ভেড়ি দখলের মামলায় তদন্ত চালিয়ে যাবে সিবিআই। বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিল। সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট-এর প্রশ্ন, "কেন এক জনকে বাঁচানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে রাজ্য সরকার?"
বিগত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে শিরোনামে সন্দেশখালি। এরই মধ্যে দু'টি স্টিং ভিডিও প্রকাশ হওয়ায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। রবিবার নির্বাচনের মধ্যেই সন্দেশখালিতে শুরু হল নতুন করে অশান্তি। ভিডিও ভাইরালের কারণে তৃণমূলের এক নেতাকে বাড়ি থেকে বের করে মারধর করলেন মহিলারা।
সন্দেশখালির বিজেপি মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালের দ্বিতীয় ভিডিও প্রকাশ পেল। প্রথম ভিডিও থেকে জানা যায়, সন্দেশখালির আন্দোলন পুরোটাই সাজানো এবং তা হয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে।
তৃণমূল দুষ্কৃতীরা রাতের বেলা স্থানীয় বাসিন্দাদের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ। বিজেপিকে ভোট দিলে এলাকা জ্বালিয়ে সব তছনছ করে দেওয়া হবে বলেও নাকি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার হয়েছে দেশি ভাঙা বন্দুক।