সন্দেশখালির বিজেপি কর্মী পিয়ালি দাস ওরফে মাম্পিকে সাত দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল বসিরহাট মহকুমা আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে সাদা কাগজে সন্দেশখালির মহিলাদের সই করিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সোমবারই আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন পিয়ালি। মঙ্গলবার করেন জামিনের আবেদন। কিন্তু, তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে সাত দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত।
আরও পড়ুন: এখনই সুযোগ, তৃণমূল নেতাদের কলার ধরে টাকা আদায় করুন, সম্ভাব্য চাকরিহারাদের বার্তা সুকান্তের


যে সন্দেশখালি নিয়ে বিগত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে সোচ্চার হতে দেখা গিয়েছে বিজেপিকে, সেখানে এই মুহূর্তে যেন সন্দেশখালি ইস্যুতে কিছুটা ব্যাকফুটে তাঁরা। পর পর দু’টো স্টিং ভিডিও আর তারপরেই যেন প্রশ্নের মুখে গোটা আন্দোলন। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালের বক্তব্য অনুসারে, সন্দেশখালির গোটা আন্দোলনটাই সাজানো এবং তা পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে।

এরই মধ্যে আবার বিজেপি কর্মী পিয়ালী দাস ওরফে মাম্পির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তিনি নাকি সাদা কাগজে সন্দেশখালির মহিলাদের দিয়ে সই করিয়ে নিয়েছিলেন এবং তারপর সেই কাগজে ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির মতো যৌন নির্যাতনের অভিযোগ লিখে থানায় জমা দেন। এক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন এবং তার ভিত্তিতে পুলিশ মাম্পিকে নোটিস পাঠিয়ে ডেকে পাঠায়।



সাদা কাগজে সন্দেশখালির মহিলাদের সই করিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, জেল হেফাজতে বিজেপির মাম্পি
মহিলা আরও বলেন, তাঁর এই ধরনের কোনও অভিযোগ নেই। সাদা কাগজে তাঁর সই নিয়ে এইসব লিখেছেন মাম্পি। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই কিছুদিনের জন্য গা-ঢাকা দেন তিনি। অবশেষে সোমবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন পিয়ালি। মঙ্গলবার করেন জামিনের আবেদন। কিন্তু, তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত।









