ভিডিয়োতে আরও দেখা গিয়েছে গঙ্গাধরকে একজন প্রশ্ন করছেন, ‘‘দাদা, তোমরা কী লেভেলের কাজ করেছ, বুঝতে পারছ! ধর্ষণ হয় নাই, তাকে ধর্ষণ বলে চালিয়েছ! তোমার বাড়ির বৌকে দিয়ে এই কাজ করাতে পারতে? আমরা তো পারব না। কী ভাবে ‘ব্রেনওয়াশ’ করলেন?’’
ভিডিয়োতে আরও দেখা গিয়েছে গঙ্গাধরকে একজন প্রশ্ন করছেন, ‘‘দাদা, তোমরা কী লেভেলের কাজ করেছ, বুঝতে পারছ! ধর্ষণ হয় নাই, তাকে ধর্ষণ বলে চালিয়েছ! তোমার বাড়ির বৌকে দিয়ে এই কাজ করাতে পারতে? আমরা তো পারব না। কী ভাবে ‘ব্রেনওয়াশ’ করলেন?’’
প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের রিপোর্ট একটি মুখবন্ধ খামে জমা দিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তদন্ত সঠিক পথেই এগোচ্ছে, রিপোর্ট দেখে মন্তব্য প্রধান বিচারপতির।
আজ, সোমবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে শেখ শাহজাহানকে হাজির কর ইডির দাবি, জমি-ভেড়ি দখল করে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ আসত সেই টাকাতেই অস্ত্র মজুদ করা হয়েছে সন্দেশখালিতে। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় জড়িত রয়েছেন রাজ্যের ২-৩ জন মন্ত্রী!
শুধু শেখ শাহজাহানই নন, তাঁর তিন ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা, ভাই আলমগির শেখ এবং দিদার মোল্লাকে নিজেদের হেফাজতে নিতে বদ্ধপরিকর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। খুব শীঘ্রই এই তিনজনকে নিজেদের হেফাজতে নিতে আদালতে তুলতে পারেন গোয়েন্দারা।
এদিন শাহজাহানকে আদালতে তোলা হলে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যায় আইনজীবীদের মধ্যে। কয়েকজন শাহজাহানের ফাঁসি চেয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। অনেকেই আবার সরাসরি বলেছেন, 'শাহজাহান যে ধরনের অন্যায় করেছেন, মহিলাদের সঙ্গে যে রকম আচরণ করেছেন তাতে শুধুমাত্র ফাঁসিই একমাত্র শাস্তি যেটা হওয়া উচিত।'
সেই মামলায় ইতিমধ্যেই ১১জনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। রবিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়েই সন্দেশখালি যান গোয়েন্দারা। সরবেড়িয়া থেকে শাহাবুদ্দিনের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁকে গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায় এজেন্সি। জেরার জন্য তাঁকে নিজাম প্যালেসে আনা হবে। ৫ তারিখের হামলার নেপথ্যে কারা ছিল তা জানতেই সিবিআই-কে তদন্তভার দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট।