সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাসকে গ্রেফতার করেছিল বসিরহাট থানার পুলিশ। মহিলাদের দিয়ে সাদা কাগজে সই করে ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনে তৃণমূল। পাল্টা জামিনের আবেদন করে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন জানান মাম্পি দাস। অবশেষে শুক্রবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত মাম্পি দাসকে জামিন দিল।
আরও পড়ুন: চাকরিপ্রার্থীর টাকা ফেরত দিলেন দেব, বুধবার সন্ধ্যায় টাকা ফেরত পান ওই ব্যক্তি


গত ১৪ মে মাম্পি দাসকে সাত দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় বসিরহাট মহকুমা আদালত। এরপরই বিজেপি নেত্রীর অভিযোগ ছিল, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। যদিও তাঁর আগের দিন থানায় আত্মসমর্পণ করেন মাম্পি। তার আগে তিনি বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন তিনি।

আজ আদালতে মাম্পি দাসের আইনজীবী জানান, গ্রেফতারের সময় মাম্পি দাসের বাড়িতে জামিন অযোগ্য ধারার নোটিস দেওয়া ছিল না। গ্রেফতারির পর বলা হয় জামিন অযোগ্য ধারার কথা। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এদিন সুপ্রিম কোর্টের নিয়মেও স্মরণ করিয়েছেন।



জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া উচিৎ! সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাসকে জামিন দিল হাই কোর্ট
মাম্পি দাসের বাড়িতে লাগানো নোটিসে জামিন অযোগ্য ধারা ছিল না বলে হাই কোর্টে সওয়াল করেন বিজেপি নেত্রীর আইনজীবী। ১৪ মে আত্মসমর্পণের সময় জামিন অযোগ্য ধারার কথা জানিয়ে গ্রেফতার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এমনকী নিম্ন আদালতে কেস ডায়রিও পেশ করেনি পুলিশ, দাবি করেন মাম্পি দাসের আইনজীবী।









