সন্দেশখালির বিজেপি মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালের দ্বিতীয় ভিডিও প্রকাশ পেল। প্রথম ভিডিও থেকে জানা যায়, সন্দেশখালির আন্দোলন পুরোটাই সাজানো এবং তা হয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে। (যদিও দু’টি ভিডিও-র সত্যতাই যাচাই করেনি নজরবন্দি) এবার নতুন ভিডিও থেকে জানা গেল আরও বিস্ফোরক সব তথ্য!
আরও পড়ুন: তৃণমূলের দুর্নীতিকে কটাক্ষ, জগদ্দলের সভায় মোদির গলায় ফের ‘চোর ধরো জেল ভরো’


বিগত তিন মাসশির বেশি সময় ধরে শিরোনামে সন্দেশখালি। মহিলাদের ওপর অত্যাচার থেকে শুরু করে জমি-ভেড়ি দখল, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের অভিযোগের তালিকাটা বেশ লম্বা। কিন্তু, মাত্র এক সপ্তাহ আগে একটি স্টিং ভিডিও প্রকাশ পায় বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালের। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, এই আন্দোলন পুরোটাই সাজানো। সন্দেশখালিতে ধর্ষণের ঘটনাই ঘটেনি।

এই ভিডিও নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্য-রাজনীতিতে। তৃণমূলের তরফে কটাক্ষ করা হয় রাজ্য বিজেপিকে। পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই ভিডিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাক যৌথভাবে তৈরি করেছে আন্দোলনকে ছোট করতে।



এবারের ভিডিও-তে গঙ্গাধর আরও অনেক কিছু বলেন। তিনি মোট ৫০টি বুথের জন্য আড়াই লাখ টাকার মদ লাগবে বলে জানান। প্রতি বুথ ৫ হাজার। বলেন, টাকা ছাড়া কেউ কাজ করবে না। তিনি নিজের জন্য চান ১ লাখ টাকা। পাশাপাশি, মোট ৫০টি পিস্তলের দাবি জানানো হয়।
প্রকাশ্যে এল গঙ্গাধরের দ্বিতীয় ভিডিও, আন্দোলন ‘সাজাতে’ পিস্তল-মদ-টাকা ছাড়া আর কী কী চাইলেন বিজেপি নেতা?

ধর্ষণের অভিযোগ জানানোর জন্য মোট ৭২ জন মহিলাকে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেন বিজেপি নেতা। উঠে আসে শান্তনু বলে আর এক জনের কথা। তাঁর এলাকায় মহিলারা ৫ হাজার টাকা করে পেয়েছেন বলে জানা যায়।
মদ-টাকা-পিস্তল ছাড়াও গঙ্গাধর বলেন ১০টি মোবাইল ফোন দরকার। মহিলাদের কাজে লাগানোর জন্য। পাশাপাশি, পুরুষদের ব্যবহার করতে গেলে বাইকের তেল, টিফিন ইত্যাদি দিতে হবে বলেও জানান তিনি। মোট ৫০ জন মহিলাকে সন্দেশখালি ব্লক-২ থেকে তিনি ‘তৈরি’ করবেন বলে কথাও দেন এবং তাঁদের নাম ভিডিও-র প্রশ্নকর্তাকে জানান।







