সন্দেশখালিকাণ্ডে এবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও ডিজিপি রাজীব কুমারকে নোটিস দিল জাতীয় তফসিলি কমিশন। সন্দেশখালিকাণ্ডে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য প্রশাসন সে বিষয়েই জবাব চাইল কমিশন। জবাবের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে ৩দিন। নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যে জবাব না পেলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন।
আরও পড়ুন: খালিস্তানি বিতর্কে বিপাকে বিজেপি, শুভেন্দুর গ্রেফতারির দাবিতে রাজপথে মিছিল শিখ সম্প্রদায়ের


সন্দেশখালিকাণ্ডে ক্রমেই পারদ চড়ছে রাজ্য-রাজনীতির। শুধু রাজ্য কেন কেন্দ্রের তরফেও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে রাজ্য প্রশাসনের উপর। এর আগে সন্দেশখালি ঘুরে এসেছে জাতীয় এসসি কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। এবার বুধবার আবার সন্দেশখালি যাবেন জাতীয় তফসিলি কমিশনের প্রতিনিধি দল। তার আগেই রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও ডিজিপি রাজীব কুমারের কাছে জবাব চেয়ে নোটিস পাঠাল কমিশন।

সন্দেশখালিকাণ্ডে সরাসরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তাঁর বক্তব্য, “সন্দেশখালির ঘটনায় কী লুকোতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কেন লুকোতে চাইছেন? সিপিআইএমের অত্যাচারের বিরুদ্ধে মমতার লড়াইয়ের প্রশংসা করেছিলাম আমরা। কিন্তু আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামানা বাম জামানার অত্যাচারকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে।”



সন্দেশখালিকাণ্ডে মুখ্যসচিব ও ডিজিপি-কে নোটিস জাতীয় তফসিলি কমিশনের, ডেডলাইন ৩ দিনের!
সন্দেশখালিকাণ্ডে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। এখনও পর্যন্ত তিন অভিযুক্তের মধ্যে উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরা গ্রেফতার হয়েছেন। তবে, অধরাই রয়েছেন মূল ‘মাস্টারমাইন্ড’ শেখ শাহজাহান। সন্দেশখালির ১২টি জায়গায় নতুন করে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। মঙ্গলবার সেখানে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জাতীয় এসসি কমিশন আগেই সেখানে গিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়েছেন।









