সোমবার রাজ্যসভায় সাংসদ হিসাবে শপথ নিলেন বিজেপির নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ। আর শপথ নেবার পরেই কিন্তু তিনি ফের বঙ্গভঙ্গের দাবি জানালেন। গ্রেটার কোচবিহারের দাবি নিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের কাছেও যাবেন বলে জানান। মহারাজের এই দাবির সমালোচনা করে তৃণমূল সাফ জানিয়ে দিল, বিজেপির এই চক্রান্ত সফল হবে না।
তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে কি আদৌ ‘সাসপেন্ড’ করা হয়েছে না হয়নি, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার ডেরেককে ‘সাসপেন্ড’ করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড়। এর আবার ৪০ মিনিটের মধ্যেই কক্ষে ফিরে আসেন ডেরেক। একই সঙ্গে, তৃণমূলের সাংসদ তথা মুখপাত্র সাকেত গোখলে ট্যুইটে দাবি করেন যে, ডেরেককে সাসপেন্ড করা হয়নি।
বাজেট অধিবেশনের পরেই শেয়ার বাজারে ধস আদানি গ্রুপের। যা নিয়ে বাজেট অধিবেশনের শুরু থেকেই আক্রমণ শানাতে শুরু করেছে বিরোধীরা। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য চলাকালীন আরও একবার উত্তাল হল সংসদ। মোদি আদানি ভাই ভাই। এই স্লোগানে মুখরিত গল রাজ্যসভা। একইসঙ্গে আরও একবার জেপিসির আবেদন জানালেন বিরোধী দলের সাংসদরা।
শুক্রবার সকালেই বৈঠকে বসে রণণীতি নির্ধারণ করে দুই পক্ষ। এরপরেই সকাল থেকে অধিবেশন শুরু হতেই সংসদের ভিতরে হই হট্টগোল শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে আদানি ইস্যুতে উত্তাল সংসদের উভয় কক্ষ। দুপুর আড়াইটে অবধি সংসদের উভয় কক্ষ স্থগিত করে দেওয়া হয়।
আগাগোড়া তিনি সমালোচক বলেই পরিচিত। কখনও সরব হয়েছেন বামেদের বিরুদ্ধে। এমনকি কেন্দ্রের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিব পদে থাকাকালীন মোদি সরকারকে তুলোধনা করতে পিছপা হননি। এখন আবার তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ হয়েও সমালোচনা করছেন দলের। যা নিয়ে চরম বিড়ম্বনায় শাসক দল। এবার রাজ্যসভার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে সরানো হল জওহরকে। তৃণমূলের অন্দর থেকে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
কেন্দ্র ক্যান্টনমেন্ট বিল, বহু-রাষ্ট্রীয় সমবায় সমিতি (সংশোধনী) বিল এবং দেউলিয়াত্ব ও দেউলিয়া কোড (সংশোধন) বিল সহ ২৪ টি বিল তালিকাভুক্ত করেছে।এর মধ্যে বিশেষ নজরে রয়েছে ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বিল। আগামী দিনে ২৪ বিলে উত্তপ্ত হতে চলেছে সংসদ এমনটা মনে করছে রাজনৈতিক মহল।