নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে কি আদৌ ‘সাসপেন্ড’ করা হয়েছে, না হয়নি, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার ডেরেককে ‘সাসপেন্ড’ করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড়। এর আবার ৪০ মিনিটের মধ্যেই কক্ষে ফিরে আসেন ডেরেক। একই সঙ্গে, তৃণমূলের সাংসদ তথা মুখপাত্র সাকেত গোখলে ট্যুইটে দাবি করেন যে, ডেরেককে সাসপেন্ড করা হয়নি। তাহলে ব্যাপারটা কী?
আরও পড়ুন: রাহুলের প্রাপ্তিযোগ! ‘গোটা দেশই আমার বাড়ি’, ‘হারানো’ বাংলো ফিরে পেয়ে মন্তব্য সাংসদের


মণিপুরের সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে উত্তপ্ত সাংসদের বাদল অধিবেশন। আজ ফের একবার মণিপুর নিয়ে সরব হন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। আর কথা বলতে গিয়ে তিনি এতটাই উত্তেজিত ছিলেন যে তাঁকে ‘অসংসদীয় আচরণ এবং চেয়ারকে অপমান’ করার দায়ে সাসপেন্ডের দাবি তোলেন বিজেপি সাংসদ পীযূষ গয়াল। চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে তর্কাতর্কিতেও জড়িয়ে পড়েন ডেরেক। তারপর ডেরেককে সাসপেন্ড করেন চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড়। অধিবেশনও মুলতুবি হয়ে যায়।

পরে দ্বিতীয়বার অধিবেশন শুরু হতেই দেখা যায়, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড় জানান, ‘সুদূরপ্রসারী’ চিন্তাভাবনা করেই ডেরেককে সাসপেন্ড করা হয়নি, তাই ভোটাভুটিও হয়নি। তবে, অধিবেশনের বাকী দিনগুলির জন্য ডেরেককে সতর্ক করা হয়েছে।



ডেরেক কি আদৌ সাসপেন্ডেড? ৪০ মিনিটের মধ্যে তৃণমূল সাংসদের ‘কামব্যাকে’ বাড়ছে জল্পনা








