অশ্বিনী বলেন, "মমতাজী যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন তখন দুর্ঘটনা অনেক কমেছিল। সেই হিসাবে এই সংসদে দিতেন তিনি এবং হাততালি কুড়োতেন। মমতাজী হিসাবে বলেছিলেন রেলদুর্ঘটনার ইনডেক্স পয়েন্ট ২৩ থেকে পয়েন্ট ১৯-এ নেমেছে আর তাতেই সাংসদেরা তখন হাততালি দিতেন। আর এখন পয়েন্ট ১৯ থেকে পয়েন্ট ০৪-এ ইনডেক্স নেমেছে অথচ আমাদের সমালোচনা করা হয়।"
নির্যাতিতা মহিলা বিলুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অজ্ঞাত পরিচয়ের পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের সন্ধান শুরু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তদের হেনস্থার হাত থেকে বাঁচতে মহিলা ও তাঁর আত্মীয় ট্রেনের দরজার কাছে সিটে গিয়ে বসেন।
এহেন পরিস্থিতিতে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য! কি বলছে রেল? রেল জানাচ্ছে, দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতেই উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য! কোনও যান্ত্রিক গোলযোগ নয়, বরং অন্তর্ঘাত করা হয়েছে। এই ঘটনায় তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, সিগন্যালিংয়ে অন্তর্ঘাতের পাশাপাশি ইন্টারলক সিস্টেমে গোলমালও করা হয়েছে।
নিহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। আজ ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক ঘোষণা করলেন যে, বালেশ্বরের দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি গুরুতর আহত হয়েছেন যারা, তাদের ১ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এদিকে, এদিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীও।
জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে রেলের তরফে একটি যৌথ পরিদর্শন রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়ে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ওই যৌথ রিপোর্টে সিগন্যালের ত্রুটির কথাই উল্লেখ্য করা হয়েছে। তবে এটি রেলের তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট। এটি বিস্তারিত তদন্তের পরেই দুর্ঘটনার কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে জানান রেল আধিকারিকরা।
মাত্রাধিরিক্ত গরমেও বন্ধ বন্দে ভারতের এসি। এমনকি দুপুরের খাবারেও দেওয়া হয়েছে পচা খাবার। যাত্রীরা অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা দুপুরে যে মাংস খেয়েছিল সেটি পুরোটাই ছিল পচা। এমনকি তা দিয়ে ভীষণ ভাবে বাজে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। হাওড়া থেকে এনজেপি-র দিকে যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস রওনা দেয় সেখানেই যাত্রীদের এই দুর্ভোগের স্বীকার হতে হয়েছে।