নজরবন্দি ব্যুরো: শুক্রবার রাত বিভীষিকাময়! মুহূর্তের মধ্যেই সব তছনছ! শয়ে শয়ে মানুষ প্রাণ হারাল। শুধুটাই নয়, বর্তমানে আহতের সংখ্যা ৯০০। এখানেই শেষ নয়, দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনে অনেক যাত্রী আটকে রয়েছেন বলেও জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে, আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই মৃত্যুমিছিলের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, শনিবার সকাল পর্যন্ত এই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ২৯৫ জন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।


এহেন পরিস্থিতিতে সামনে এল দুর্ঘটনার কারণ! রেলের পক্ষ থেকে প্রাথমিক তদন্তে দাবি, সিগন্যালের ত্রুটির কারণেই ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনা! জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে রেলের তরফে একটি যৌথ পরিদর্শন রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়ে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ওই যৌথ রিপোর্টে সিগন্যালের ত্রুটির কথাই উল্লেখ্য করা হয়েছে। তবে এটি রেলের তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট। এটি বিস্তারিত তদন্তের পরেই দুর্ঘটনার কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে জানান রেল আধিকারিকরা।

রেলের পক্ষ থেকে যৌথ পরিদর্শন রিপোর্টে বলা হয়েছে, “আপ মেন লাইনে সবুজ সিগন্যাল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই আপ লাইনে ঢোকেইনি ট্রেনটি। ওই ট্রেন ঢুকেছিল লুপ লাইনে। আর সেখানেই আগে থেকে দারিয়েছিল একটি মালগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। এরপরেই ওই দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে করমণ্ডল এক্সপ্রেসটি লাইনচ্যুত হয়। আর এর মাঝেই অন্যদিক থেকে ডাউন লাইন দিয়ে বালেশ্বরের দিকে যাচ্ছিল বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। সেই ট্রেনটিরও দু’টি বগি এই ঘটনার জেরে লাইনচ্যুত হয়।” তবে মেন লাইনে সিগন্যাল পাওয়া সত্ত্বেও করমণ্ডল এক্সপ্রেস কী ভাবে লুপ লাইনে ঢুকে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।



শনিবার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আহতদের যথোপযুক্ত চিকিৎসা করার ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবারের পাশে থাকারও বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন তিনি বলেন, “করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। এই দুর্ঘটনায় কারও দোষ প্রমাণিত হলে তাঁকে ছাড়া হবে না। কড়া শাস্তি দেওয়া হবে।”
সিগন্যালের ত্রুটিই কারণেই দুর্ঘটনা, যৌথ পরিদর্শন রিপোর্ট প্রকাশ








