নজরবন্দি ব্যুরো: বিভীষিকাময় শুক্রবার রাত! মুহূর্তের মধ্যেই সব তছনছ হয়ে গেল। শয়ে শয়ে মানুষ তাঁদের পরান হারাল। শুধুটাই নয়, বর্তমানে আহতের সংখ্যা ৯০০। এখানেই শেষ নয়, দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনে অনেক যাত্রী আটকে রয়েছেন বলেও জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে, আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই মৃত্যুমিছিলের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, শনিবার এখনও পর্যন্ত এই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ২৬১ জন। আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০০ তে।
আরও পড়ুন: Coromondel express-এ দুর্ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন মমতা! সকালেই হেলিকপ্টারে পৌঁছাবেন বালেশ্বর


ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উদ্ধারকাজ কতটা এগিয়েছে তা খতিয়ে দেখছেন মোদী। তবে বালেশ্বরে যাওয়ার আগে জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন মোদী। এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন শাহও। এছাড়াও শনিবার সকালেই ঘটনাস্থলে যান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ অনেকেই। তবে শুধু এদেশেই উদ্বেগ ছড়ায়নি, ওপার বাংলা অর্থাৎ বাংলাদেশেও উদ্বেগ ছড়িয়েছে।

সূত্রের খবর, শুধুমাত্র এই দেশের বাসিন্দারাই নন, ওই অভিশপ্ত ট্রেনে ছিলেন বাংলাদেশের কয়েকজন নাগরিকও। অনেকেই প্রতি বছর ভেলোরে চিকিৎসা করাতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসেন। আর ওই চিকিৎসার জন্যই করমণ্ডল এক্সপ্রেসেও ছিলেন বাংলাদেশের কয়েকজন যাত্রী। বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রের খবর, বাংলাদেশ থেকে কয়েকটি পরিবার শুক্রবার রাত থেকেই যোগাযোগ করেছেন। এদের মধ্যেই ২ জনের পরিবার জানিয়েছে যে, শেষবার গতকাল দুপুরে তাঁদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। তারপর থেকে আর তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।



জানা যাচ্ছে, ওই ২ বাংলাদেশি দুজন করমণ্ডল এক্সপ্রেসে ছিলেন। চেন্নাই যাচ্ছিলেন। তাছাড়াও আরও দুইজনের পরিবার জানিয়েছে যে, তাঁদের পরিবারের লোকজন ওড়িশার কোনও একটি হাসপাতালে ভর্তি। তাঁরা আহত অবস্থায় অন্য কারও ফোন থেকে এই ঘটনার খবর জানাতে পেরেছে। এই সমস্ত ঘটনায় বাংলাদেশ হাইকিশনের পক্ষ থেকে ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের থেকে তালিকা চাওয়া হয়েছে। তবে সেই তালিকা না পাওয়া পর্যন্ত কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে পারছেন না বলেই জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
Coromandel Express-এ দুর্ঘটনায় ওপার বাংলাতেও উদ্বেগ, ওই অভিশপ্ত ট্রেনে ছিলেন বাংলাদেশের কয়েকজন নাগরিকও








