বিজেপির ডাকে আয়োজিত পদযাত্রা থেকে বুধবার নিজেদের সরিয়ে নিল জোটসঙ্গী জেডিএস। আর এর দায় সরাসরি গেরুয়া শিবিরের উপরেই চাপিয়েছেন দলের সুপ্রিমো এইচ ডি কুমারস্বামী।
উদ্ধারকাজে সহায়তা করার জন্য কান্নুর ডিফেন্স সিকিউরিটি কোরের দুটি টিমকেও ওয়েনাড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকাজে নামানো হচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টারও।
কিন্তু বাকি ৯০% অগ্নিবীর সেনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ছিল। এই কারণেই একাধিক রাজ্যে এই প্রকল্প নিয়ে ধাক্কা খেতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। এবার কার্গিল বিজয় দিবসের মঞ্চে অগ্নিবীদের নিয়ে মুখ খুললেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।
সম্প্রতি সংসদের সেন্ট্রাল হলে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বুক ফুলিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, ‘দেশের ভালোর জন্য যত পবিত্র কাজ আছে, সেই সবকিছু কার্যকর করতেই ঈশ্বর আমাকে বাছাই করেছেন।’ মোদি ‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ’ স্লোগানও দিয়েছিলেন।
ভারত সরকারের মন্ত্রিসভায় যাদের বলা হয় বিগ ফোর, সেই অর্থ, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ কাউকে দিতে নারাজ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। যদিও এর মধ্যে কমপক্ষে দুটি নিজেদের দখলে রাখতে চায় দুই জোট সঙ্গী। নীতীশ আজ দলের জন্য চার পূর্ণমন্ত্রী ও একটি প্রতিমন্ত্রী পদ এবং চন্দ্রবাবু তিনটি পূর্ণমন্ত্রী ও দু'টি প্রতিমন্ত্রীর পদ দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, স্পিকার পদও চাইছেন চন্দ্রবাবু নাইডু।
কিন্তু মোদীর এই চিঠি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সরকারি খরচের অপব্যয় করে ভুয়ো বিজ্ঞাপন দিয়ে কেন্দ্র মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, এমন অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখেছিল তৃণমূল। এবার আদর্শ আচরণবিধি লাগুর ঠিক আগে মোদির এহেন প্রচার কৌশল নিয়ে উঠছে নানান প্রশ্ন।
সূত্রের খবর, আজ রাজভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ আরামবাগে দুপুর ৩টে নাগাদ সভা রয়েছে মোদির। সেখান থেকে রাজভবনে ফেরার কথা তাঁর। বিকাল ৫টা ২০ মিনিট নাগাদ সেখানে ফিরবেন তিনি। এরপর রাজভবনেই মমতার সঙ্গে সাক্ষাৎপর্ব বলে খবর।