জম্বু কাশ্মীর সন্ত্রাসবাদী হামলা। এবং দেশের নিরাপত্তা নিয়ে তৃতীয় মোদি সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই অনেকাংশে জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী হামলা বেড়ে গিয়েছে। অপরদিকে লোকসভার অন্দরে অগ্নিবীর প্রকল্প নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে। আর আজ কার্গিল বিজয় দিবসের মঞ্চ থেকে অগ্নিবীর প্রকল্প নিয়ে বিরোধীদের এক হাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

তার কথায়, ভারতীয় সেনার স্বার্থে অগ্নিপথ খুব গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার। বিজয় দিবসের প্রাক্কালে আজ মোদি কারগিলের দ্রাস সেক্টরে গিয়েছেন। সেখান থেকেই বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “অগ্নিবীর প্রকল্প ভারতীয় সেনার স্বার্থে খুব গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কয়েক দশক ধরে সংসদে এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বহু কমিটিও তৈরি করা হয়েছিল। দীর্ঘ আলোচনার পর সেইসব কমিটি ভারতীয় সেনাকে পুনর্জীবিত করবার জন্য অগ্নিবীর প্রস্তাবে সায় দিয়েছে”।

অগ্নিবীর প্রকল্প নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, “বিশ্বের যেকোন দেশের থেকে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের গড় বয়স বেশি। যার ফলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল অনেকদিন ধরেই। কিন্তু শুধুমাত্র সদিচ্ছার অভাবে এই ধরনের কোন পদক্ষেপ নিতে পারেনি আগের সরকার “। এখানেই না থেমে প্রধানমন্ত্রী মোদি আরো বলেন, “আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু মানুষ জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যু নিয়ে রাজনীতি করছে। এই লোকগুলি তারাই যারা আগে একের পর এক দুর্নীতি করে দেশের সেনাবাহিনীকে দুর্বল করেছে। শুধু তাই নয় এরা তা্রাই যারা দেশের বায়ু সেনাকে আধুনিক বিমান কিনতে দেয়নি”।
বিজয় দিবসের প্রাক্কালে অগ্নিবীর প্রকল্প নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর

উল্লেখ্য, অগ্নিবীর প্রকল্প হল অস্থায়ীভাবে ভারতীয় সেনায় চার বছরের জন্য কর্মী কর্মী নিয়োগ। চার বছর পর ১০ শতাংশ অগ্নিবীর সেনাকে স্থায়ী কমিশন দেওয়া হবে বলে সেই সময় ঘোষণা করেছিল সরকার। কিন্তু বাকি ৯০% অগ্নিবীর সেনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ছিল। এই কারণেই একাধিক রাজ্যে এই প্রকল্প নিয়ে ধাক্কা খেতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। এবার কার্গিল বিজয় দিবসের মঞ্চে অগ্নিবীদের নিয়ে মুখ খুললেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।



