দুর্গাপুজোকে ঘিরে সরকারি অনুদানের অঙ্ক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ বছর রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা করে সরকারি সাহায্য দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। তবে যেসব পুজো কমিটি আর্থিকভাবে সক্ষম এবং বড় বাজেটে পুজো করে, তাদের সরকারি অনুদান না নেওয়ার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু জানিয়েছেন, যেসব পুজো কমিটির ক্ষেত্রে সরকারি অর্থ ছাড়া পুজো আয়োজন করা কঠিন, তাদের পাশে থাকবে সরকার। তাঁর বক্তব্য, আগে ছোট বাজেটের পুজোগুলিকে অনুদান দেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে আর্থিকভাবে সক্ষম পুজো কমিটিগুলিকেও সরকারি অর্থ দেওয়ার পক্ষপাতী নন। [পুজোয় ডিজে বাজানো যাবে না, অষ্টমীতে মদ বন্ধ! বিসর্জন নিয়েও কড়া নির্দেশ শুভেন্দুর]

অর্থাৎ এ বার সরকারি অনুদানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দিতে চাইছে রাজ্য সরকার। বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলি নিজেদের আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী পুজোর খরচ বহন করবে—এমনই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এর আগে ২০২৬ সালের জুন মাসেও পুজোর সরকারি অনুদান নিয়ে একই ধরনের অবস্থানের কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। সে সময় তিনি বলেছিলেন, যেসব পুজোর সরকারি অর্থের প্রয়োজন নেই, তাদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজন নেই; যাঁদের ওই অর্থ ছাড়া পুজো করা কঠিন, সরকার তাঁদের পাশে থাকবে।
এ বার সেই অবস্থান আরও স্পষ্ট করে অনুদানের অঙ্ক ১ লক্ষ টাকা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে সরকারি অনুদান কোন কোন পুজো কমিটি পাবে এবং আর্থিক সক্ষমতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে কী কী শর্ত থাকবে, তা নিয়ে পুজো কমিটিগুলির মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া প্রকাশ্যে এলে ছবিটা আরও পরিষ্কার হবে।



