ভোট দেওয়ার পরই সরাসরি বড় দাবি—রাজ্যে ফের ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল, তাও দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে। ভবানীপুরে ভোট দিয়ে এমনই আত্মবিশ্বাসী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অভিযোগও তুললেন তিনি।
বুধবার বিকেলে মিত্র ইনস্টিটিউশনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন মমতা। বুথ থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “চারদিকে অত্যাচার চলছে। বহু বুথে আমাদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না। মহিলা ও শিশুদের মারধরের অভিযোগ আসছে। আমি এমন ভোট কখনও দেখিনি।”


সকাল থেকেই নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে সক্রিয় ছিলেন তিনি। একের পর এক বুথে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। চেতলা এলাকায় গিয়ে ফিরহাদ হাকিম-এর সঙ্গে কথা বলেন, পরে ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম বসুর সঙ্গেও দেখা করেন।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের নির্বাচনেও নন্দীগ্রামে একইভাবে বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গিয়েছিল মমতাকে। এ বারও সেই একই কৌশল অবলম্বন করেছেন তিনি—ভোটের দিন সরাসরি ময়দানে নেমে নজরদারি।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, “আমার পাড়ায় ঢুকে মেয়েদের মেরেছে। অনেক জায়গায় আমাদের বুথ এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এটাই কি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন?”


তবে অভিযোগের মাঝেও ফল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুর বজায় রেখেছেন তিনি। স্পষ্ট দাবি, “দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আমরা পাচ্ছি।”
সব মিলিয়ে, ভোটের দিনেই অভিযোগ ও আত্মবিশ্বাস—দুই বার্তাতেই স্পষ্ট, ফল ঘোষণার আগেই রাজনৈতিক লড়াই এখন চরমে পৌঁছেছে।







