পঞ্চায়েত নির্বাচনে দফায় দফায় অশান্ত হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার ভাঙড়। মনোনয়ন থেকে শুরু করে ভোট পরবর্তী সময়েও উত্তপ্ত হয়েছে পরিস্থিতি। 'অশান্তি' এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। তবে ইতিমধ্যেই তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এদিকে সামনেই রয়েছে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ভাঙড়ে পালিত হবে বিজয় উৎসব। সেই উপলক্ষে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে আমন্ত্রণ জানালেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা। পঞ্চায়েত
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়েই কথা বলছিলেন মাহমুদ। তিনি দাবি করেন, ওই দেশের নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। এর প্রেক্ষিতেই পশ্চিমবঙ্গের ভোট প্রসঙ্গ উঠে আসে। ওপার বাংলার মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই নানা সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে একের পর এক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। ভোট শেষ হলেও মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। সোমবার একবেলায় ৭৩ টি মামলার শুনানি রয়েছে আদালতে। এরমধ্যে বেশকয়েকটি জনস্বার্থ মামলা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, একদিনে ৭৩ টি মামলা শুনানির তালিকা রয়েছে, এর আগে এমন দেখা যায়নি।
বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। ভোটের গণনা পরবর্তী দশদিন রাজ্যে বাহিনী থাকবে বলেও জানিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। এবার আরও এক মাস কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় মোতায়েন রাখার দাবিতে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের হয়। শুক্রবার শুনানি চলে প্রধান বিচারপতির এজলাসে।
পঞ্চায়েত ভোটে অশান্তি ছড়ানো ও রাজনৈতিক হিংসায় মদত দেওয়ার অভিযোগে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর করার আর্জিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়েরহয়। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানিয়ে দিলেন শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে গেলে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন নেই। একইসঙ্গে আরও কিছু মন্তব্য করেন বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়।