নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত ভোট ঘিরে রাজ্যের পরিস্থিতি কার্যত উত্তপ্ত হয়ে পড়েছিল। ভোট সন্ত্রাস, কারচুপি, হিংসার ঘটনায় দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা। এরইমধ্যে হয়েছে ফল ঘোষণা। তবে হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, মামলার রায়ের উপর জয়ী প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। তারই প্রেক্ষিতে এদিন সম্ভাব্য তারিখ জানিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি।
আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে আরও ২০ কোটির হদিশ, টাকার অঙ্ক বেড়ে হল প্রায় ১৫০ কোটি
পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে ১২০০ পাতার রিপোর্ট জমা দেন বিএসএফের আইজি। এছাড়া ভোট নিয়ে কমিশনের কাছে যে অভিযোগগুলি জমা পড়েছিল, এবার সেগুলি খতিয়ে দেখতে চান প্রধান বিচারপতি। এদিন পঞ্চায়েত সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন সমস্ত মূল নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। এইসব খতিয়ে দেখার পর জয়ী প্রার্থীদের চূড়ান্ত ভাগ্য নির্ধারণ হবে। প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, আগামী ১৭ আগস্ট জয়ী প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আদালত।

পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার পর থেকেই একের পর এক মামলা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব থেকে শুরু করে ভোট প্রক্রিয়া, ভোট গণনা পর্বে অশান্তির অভিযোগ সামনে এসেছে। ভোট লুঠ, ছাপ্পা ভোট, ব্যালট বাক্সে ভাঙচুর, ব্যালট পেপারে আগুন এমন নানা চাঞ্চল্যকর ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়টিকে নজরে রেখেই প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, জয়লাভ করলেও জয়ী প্রার্থীদের ভাগ্য কী হবে তা শেষপর্যন্ত আদালত স্থির করবে।
![]()
এদিন হাইকোর্টে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আনা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাদের দাবি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হলেও ভোটের দিন বাংলায় মাত্র ৬৩৭ কোম্পানি ছিল। পুরো বাহিনীকেই ভোটের কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল।
পঞ্চায়েতে জয়ী প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ কবে? তারিখ জানালেন প্রধান বিচারপতি




