নজরবন্দি ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও ২০ কোটি টাকার হদিশ পেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতেই অবৈধ কিছু লেনদেনের হদিশ পাওয়া যায়। দ্রুত এগুলি বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে খবর। গত বছর রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় গোটা রাজ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল।
আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিপাকে কালীঘাটের কাকু! আদালতে চার্জশিট জমা দেবে ED


ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এখনও পর্যন্ত ১২৬ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এবার আরও ২০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হলে টাকার অঙ্ক বেড়ে দাঁড়াবে ১৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রায় ১৫০ কোটির কাছাকাছি। যদিও এই বিপুল পরিমাণ টাকা কার বা কাদের কিংবা কোথা থেকে উদ্ধার হবে, সেবিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইডির দাবি, তদন্ত চালিয়ে প্রত্যেকের বিপুল সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। আগেই প্রাথমিকভাবে ইডি দাবি করেছিল, এই দুর্নীতিতে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

গত বছর জুলাই মাসে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এরপরই তাঁর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের কাছ থেকেও বিপুল সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। তাঁর এই সম্পত্তির মূল্য প্রায় ৩০ কোটি। কুন্তল, শান্তনুর গ্রেফতারির পর এই অঙ্ক বেড়ে চলেছে। কয়েকমাস আগেই গ্রেফতার হয় কালীঘাটের কাকু। ইডি সূত্রে খবর, দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় ১১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন তিনি।



উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ধৃতের কাছ থেকে ১১ কোটি টাকার বেশি হদিশ পাওয়া গিয়েছে, এই পুরো টাকাটাই নিয়োগ দুর্নীতি বলেই দাবি তদন্তকারীদের। চার্জশিটে এই বিষয়টি উল্লেখ করা হবে।
নিয়োগ দুর্নীতিতে আরও ২০ কোটির হদিশ, টাকার অঙ্ক বেড়ে হল প্রায় ১৫০ কোটি








