দলের রূপরেখা বা স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণও করে দিতে পারেন তাঁরা। কার্যকারিনী বৈঠকের পাশাপাশি দুই শীর্ষ নেতা এদিকেও নজর দেবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
২৪-এর ভোটে কোনও ফাঁক ফোকড় রাখতে চাইছে না বাংলার পদ্ম শিবির। দক্ষিণ কলকাতার জন্য যাদবপুর সাংগঠনিক জেলা তৈরি করা হয়েছিল। এর চারদিনের মধ্যেই জেলা সভাপতি বদল করা হল। নতুন সভাপতি নিয়োগ করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
কংগ্রেস শাসিত রাজ্যকে 'ধর্ষণ রাজধানী' বলেও তোপ দেগেছে গেরুয়া শিবির। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল মরুরাজ্যে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দলে রয়েছে বাংলার সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আজই এই প্রতিনিধি দল রাজস্থানে পৌঁছে যাবে বলে খবর।
এই নিয়ে বলতে গিয়ে এক প্রথম শ্রেণীর বাংলা দৈনিকে কে দিলীপ বাবু জানান, ‘আমি এখনও কোনও চিঠি পাইনি। তবে এটা শুনেছি যে, দলের সাংসদদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। সেটা লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই। সাংসদরা যাতে নিজের নিজের এলাকায় বেশি করে সময় দিতে পারেন, তাই এই পদক্ষেপ।’
লোকসভার নীল নকশা তৈরি বিজেপির। নির্বাচনের আগে আর সময় এক বছরের সামান্য কম। তার আগে বাংলাকে 'পাখির চোখ' করে দেখতে চাইছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এবার, লোকসভা নির্বাচনে সাফল্যের লক্ষ্যে ‘মিশন বাংলা’ নামে আটমাস ব্যাপী রোডম্যাপ চূড়ান্ত করা হল। বাংলায় বিজেপির নেতারা এই কর্মসূচি নিয়ে গোটা রাজ্য ঘুরবেন।
পঞ্চায়েতের ভোট পর্ব মিটতেই রাজ্যে একের পর এক ‘ফ্যাক্ট ফাইণ্ডিং’ টিম পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। আজ, রবিবার কলকাতায় এলেন বিজেপির পাঁচ সদস্যের পর্যবেক্ষক দল। মূলত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তফশিলিদের ওপর যে হামলা হয়েছে তা খতিয়ে দেখতেই রাজ্যে এসেছেন তাঁরা।
একুশের বিধানসভার পুনরাবৃত্তি। ফের পঞ্চায়েত ভোটের পর রাজ্যের সন্ত্রাস তদন্তে দিল্লি থেকে চার জনের ‘ফ্যাক্ট ফাইণ্ডিং টিম’ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র বিজেপি। মূলত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশেই এই দলটি তৈরি হয়েছে। এই দলে আছেন, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার তথা সাংসদ সত্যপাল সিং, বিজেপির সহ সভাপতি রেখা ভার্মা এবং সাংসদ রাজদীপ রায়। গণনার পরিদন, অর্থাৎ বুধবার সকালেই তাঁরা রাজ্যে পা রাখলেন।