সংবিধান বিরোধী কাজ করছেন রাজ্যপাল। এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবিলম্বে রাজ্যপালকে সরানোর দাবীতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অমরনাথকে মুখ্যমন্ত্রী জিজ্ঞেস করেন, "তোমাকে কী রাজ্যপাল ফোন করে?" সেইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন পুলিশ সুপার রাজ্য পুলিশের অধীনে কাজ করছেন। পাল্টা রাজ্যপালের মন্তব্য পুলিশের মেরুদণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর আঘাত দুর্ভাগ্যজনক।
এক ঘোড়ার পালকে পাঠিয়েছে রাজ্য শাসন করার জন্য। নাম না করে রাজ্যপালকে আক্রমণ মমতার। তিনি বলেন, ২৬ জানুয়ারি প্যারেডের সময় এক ঘোড়ার পালকে দেখেছিলাম। আমাদের মাউন্টেড পুলিশ রয়েছে। তাঁরাও জানতে পেরেছে একজন ঘোড়ার পাল রয়েছে। এক ঘোড়ার পালকে পাঠিয়েছে রাজ্য শাসন করার জন্য।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিদিন আমাকে ট্যুইট করে গালাগালি দেন রাজ্যপাল। আমাদের প্রশাসনিক আধিকদের গালাগালি করেন। অসাংবিধানিক কথাবার্তা বলেন। প্রতিদিন তিনি উৎসাহ করছেন অশান্তি ছড়ানোর। বিধানসভা থেকে সংসদে এবিষয়ে সরব হবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এই দড়ি টানাটানিড় শেষ কি পরিনতি দাঁড়ায় সেদিকেই নজর এখন সকলের।
তৃণমূলের লোকসভার দলনেতার কথায়, সংসদীয় গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজ্যপালকে সরান। সূত্রের খবর, সেন্ট্রাল হলে এই বক্তব্য রাখার সমস্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু।
বিধানসভায় দাঁড়িয়ে স্পিকারের সামনেই রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। এমনকি বেশ কিছু বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। তাই রাজ্যপালের বিধানসভা সফরে এবার আরও অনমনীয় হলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, ভবিষ্যতে রাজ্যপাল স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আসলে জানতে চাওয়া হবে কারণ।