নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকালই বিধানসভায় দাঁড়িয়ে স্পিকারের সামনেই রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। এমনকি বেশ কিছু বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। তাই রাজ্যপালের বিধানসভা সফরে এবার আরও অনমনীয় হলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, ভবিষ্যতে রাজ্যপাল স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আসলে জানতে চাওয়া হবে কারণ।
আরও পড়ুনঃ Skin Diseases: বিশেষজ্ঞদের মতে এবার করোনার লক্ষণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে চর্মরোগও


স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন,” একটা কথা আপনাদের বলি। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় অনেকরকম অনুষ্ঠান হওয়ার আগে রাজ্যপাল ছিলেন যাঁরা তাঁরা বিধানসভার একাধিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন। তখন প্রেস ছিল। তিনি প্রেস কর্ণারে গিয়ে সবার সঙ্গে কথাও বলেছেন। কিন্তু তাঁরা কেউ এধরনের আচরণ করেনি। উনি নিজে আসতে চেয়েছিলেন বিধানসভায়। তাঁকে আমরা মর্যাদা দিয়ে আনতে চেয়েছি। আমরা বুঝতে পারিনি। এভাবে রাজনৈতিকভাবে গোটা বিষয়টিকে ব্যবহার করা হবে”।

এরপরেই অধ্যক্ষের বক্তব্য, “সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে ক্যাসেট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। গতকাল পিছনে থাকার কারণে পুরো বিষয়টা শুনতে পারিনি। সেটা দেখার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিল যখন পাঠানো হয় বিধানসভার তরফ থেকে পাঠানো হয়। সেই বিলের ভাগ্য আমাদেরকেই বিধানসভার কাছে জানাতে হয়। কিন্তু আমি চিঠিতে যে সমস্ত বিলের কথা উল্লেখ করেছি, সেই বিলগুলোর কী হয়েছে সেটা আজ অবধি আমরা জানিনা। তিনি সেই কোথায় পাঠিয়েছে এবিষয়ে কোনও সংবাদ নেই”।
স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আসলে জানতে চাওয়া হবে কারণ, বাড়ল সংঘাত

“বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাংবধানিক বাধ্যবাধকতা থাকার কারণে উনি আসতে পারেন। কিন্তু উনি স্বেচ্ছায়, স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে যদি আসতে চান তাহলে আমরা জানতে চাইব কেন উনি আসবেন। সেখানে ওনার কী ভুমিকা হবে না হবে সেই বিষয়েও আমাদের জানতে হবে।” সাফ জানিয়ে দিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।


উল্লেখ্য, বাংলায় আইনের শাসন নেই। বাংলায় শাসকের আইন চলছে। পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়ঙ্কর। মঙ্গলবার বিধানসভায় ফের রাজ্যের বিরুদ্ধে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। কোনও ফাইল রাজভবনে আটকে নেই, রাজ্যপাল সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পরেই দুই পক্ষের সংঘাত চরমে ওঠে।







