নজরবন্দি ব্যুরোঃ মহাত্মা গান্ধীজির মৃত্যু দিবসে ব্যারাকপুরের গান্ধী ঘাটে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যরাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কিন্তু প্রটোকল ভেঙে বসলেন না রাজ্যপালের সঙ্গে। বরং নীচে বসলেন। পরে রাজ্যপাল প্রশ্ন করলে তিনি বলেন,”আপনি একজন প্রফেশনাল কিলারকে পাশে নিয়ে বসেছেন। তাই মঞ্চে না বসে প্রতিবাদ করলাম।” উল্লেখ করেন গতকাল নোয়াপাড়ার ঘটনা।
আরও পড়ুনঃ Jagdeep Dhankar: বাংলা গণতন্ত্রের গ্যাস চেম্বার হয়ে যাচ্ছে, রাজ্যপালের নিশানায় রাজ্য


তিনি আরও বলেন,”আমি কোনও খুনীর সঙ্গে মঞ্চ কিছুতেই ভাগ করতে পারব না। ইছাপুরে আমাদের দলের নেতা খুন হয়েছেন। অভিযুক্তের সঙ্গে সাংসদের যোগ রয়েছে। তেমন একজন ক্রিমিনালকে পাশে বসিয়ে রাজ্যপাল অনুষ্ঠান করছেন। আমি কিছুতেই তাতে ওঁদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করব না”।
উল্লেখ্য, ইচ্ছাপুরে তৃণমূল নেতা গোপাল মজুমদারকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় বিজয় মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যিনি বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ট বলে জানা গিয়েছে। যদিও সাংসদের বক্তব্য রাইফেল ফ্যাক্টরির দেনাপাওনা নিয়ে মূলত ঝামেলা।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাত চরমা পৌঁছে গেছে। গত কয়েকদিনে রাজ্যপালের মন্তব্য যেমন সংঘাত বাড়িয়েছে। পাশাপাশি সংঘাত বাড়িয়েছে ৭ ডিসেম্বর নেতাইয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে বাধা দেওয়ার ঘটনা। সোমবার ফের রাজ্য পুলিশের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবকে তলব করেছেন তিনি। এর আগে একাধিকবার রাজ্যপালের তলব এড়িয়ে গেছেন তাঁরা। তাই আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও সরব হতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।


একজন প্রফেশনাল কিলারকে পাশে নিয়ে বসেছেন, বিস্ফোরক বনমন্ত্রী

রবিবার রাজ্যপালের এহেন মন্তব্যকে কটাক্ষ করে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ ট্যুইট করে বলেন, “জগদীপ ধনকড় পেগাসাস অধিকারীকে কোলে নিয়ে জুটি বাঁধতে চাইছেন। ভানু গোয়েন্দা জহর অ্যাসিসট্যান্ট। বঙ্গরাজনীতির নতুন বিনোদন।বিজেপির বিদ্রোহ, কাদাছোঁড়াছুড়ি থেকে নজর ঘোরাতে রাজ্যপাল পদের সম্মানকে ধুলোয় মিশিয়ে তৃণমূলের বিরোধিতার বৃথা চেষ্টা”।







