নজরবন্দি ব্যুরোঃ ” বাংলা গণতন্ত্রের গ্যাস চেম্বার হয়ে যাচ্ছে। এটা বরদাস্ত করতে পারব না। বাংলার মাটিকে রক্তরঞ্জিত হতে দেখতে পারব না”। রবিবার গান্ধীজির মৃত্যু দিবসে ব্যারাকপুরের গান্ধী ঘাটে সম্মান জানাতে গিয়ে আরও একবার রাজ্যস রাজ্য সরকারকে একহাত নিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।
আরও পড়ুনঃ Narendra Modi: ৭৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক সম্পূর্ণ টিকা পেয়েছেন, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
বাংলার রাজনীতিতে রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাত নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি সেই সংঘাতের উত্তাপ কিছুটা বেড়েছে। আর তাতে ঘৃতাহুতি দিয়েছে দুই পক্ষই। রাজ্যপালের এধরনের কার্যকলাপে না খুশ রাজ্যের শাসক দল। পাল্টা রাজ্যপালের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছে বিরোধী দল।
রবিবার সেই সংঘাত চরমে পৌঁছালো যখন গান্ধীজির মৃত্যু দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে গিয়ে আরও একবার সুর সপ্তমে চড়ালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। নিজস্ব ভঙ্গিতে তিনি বলেন, বাংলায় আইনের শাসন নেই। শাসকের সিন চলছে। সংবিধান রক্ষা করা আমার কাজ। মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন সময় বের করে কথা বলুন। ব্যক্তিগত ইগো নিয়ে চলা ঠিক নয়।

গত কয়েকদিনে রাজ্যপালের মন্তব্য যেমন সংঘাত বাড়িয়েছে। পাশাপাশি সংঘাত বাড়িয়েছে ৭ ডিসেম্বর নেতাইয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে বাধা দেওয়ার ঘটনা। সোমবার ফের রাজ্য পুলিশের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবকে তলব করেছেন তিনি। এর আগে একাধিকবার রাজ্যপালের তলব এড়িয়ে গেছেন তাঁরা। তাই আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও সরব হতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
রবিবার রাজ্যপালের এহেন মন্তব্যকে কটাক্ষ করে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ ট্যুইট করে বলেন, “জগদীপ ধনকড় পেগাসাস অধিকারীকে কোলে নিয়ে জুটি বাঁধতে চাইছেন। ভানু গোয়েন্দা জহর অ্যাসিসট্যান্ট। বঙ্গরাজনীতির নতুন বিনোদন।বিজেপির বিদ্রোহ, কাদাছোঁড়াছুড়ি থেকে নজর ঘোরাতে রাজ্যপাল পদের সম্মানকে ধুলোয় মিশিয়ে তৃণমূলের বিরোধিতার বৃথা চেষ্টা”।
বাংলা গণতন্ত্রের গ্যাস চেম্বার হয়ে যাচ্ছে, ফের সরব রাজ্যপাল, পাল্টা কটাক্ষ কুণালের

দিনের পর দিনে রাজ্যপালের এহেন মন্তব্য নিয়ে শাসক দল বেজায় অসন্তুষ্ট। রাজ্যপালের অপসারণের দাবীতে আগামী সংসদের অধিবেশনে প্রস্তাব আনতে চলেছে তৃণমূল। সংসদের উভয় কক্ষেই রাজ্যপালের অপসারণের প্রস্তাব আনতে চলেছে, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়।







