এই লঞ্চের সময়, ভারত দুটি মাইলফলক অর্জন করছে। প্রথম মাইলফলক হল, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডনের সঙ্গে ভারতেও একই দিন থেকে আইফোন মডেলগুলি পাওয়া যাচ্ছেয এটা আগে কখনও হয়নি। দ্বিতীয়টি হল, ইসরোর তৈরি ‘নাবিক’ জিপিএস স্যাটেলাইট সিস্টেমটি আইফোন ১৫-য় দেওয়া হয়েছে।”
দিন কয়েক আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও হস্টেল পরিদর্শন করতে আসে ইসরোর প্রতিনিধি দল। আর এবার নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিল ইসরো। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষকে সেই বার্তাও দিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এমনটাই খবর সূত্রের।
সূর্য অস্তাচলে। রাত নেমেছে চাঁদে। আর আঁধার নামার সঙ্গে সঙ্গেই তাপমাত্রা ঝড়ের গতিতে কমছে চন্দ্রপৃষ্ঠের। রাতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর তাপমাত্রা কখনও কখনও মাইনাস ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচেও নেমে যায়! তো, এই চরম ঠাণ্ডা পরিবেশে ল্যান্ডার বিক্রম এবং রোভার প্রজ্ঞানকে বাঁচানোই এখন বড়ো চ্যালঞ্জ ইসরোর সামনে।
এবার আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশযান থেকে ধরা পড়ল বিক্রমের ছবি। ছবিটি তুলেছে নাসার উপগ্রহ লুনার রিকনেসান্স অরবাইটার, সংক্ষেপে LRO। নিজেদের এক্স (ট্যুইটারের বর্তমান নাম) হ্যান্ডেলে ছবিটি প্রকাশ করে নাসা লিখেছে, “এলআরও মহাকাশযান চন্দ্রপৃষ্ঠে চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডারের ছবি তুলেছে।“
বুধবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এবং মেন হস্টেল ঘুরে দেখল ইসরোর প্রতিনিধি দল। মূলত দুই জন ছিলেন এই প্রতিধি দলে। র্যাগিং রুখতে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে তা কিন্তু এখনই খোলসা করলেন না ইসরোর দুই প্রতিনিধি। জানা গিয়েছে, আগামী দিনে ইসরোর তরফে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সে বিষয়ে সুপারিশ করা হবে।