নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এবং মেন হস্টেল ঘুরে দেখল ইসরোর প্রতিনিধি দল। মূলত দুই জন ছিলেন এই প্রতিনিধি দলে। র্যাগিং রুখতে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে তা কিন্তু এখনই খোলসা করলেন না ইসরোর দুই প্রতিনিধি। জানা গিয়েছে, আগামী দিনে ইসরোর তরফে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সে বিষয়ে সুপারিশ করা হবে।
আরও পড়ুনঃ কষ্ট বাড়ল কেষ্টর! আসানসোল থেকে দিল্লিতে সরল গরু পাচার মামলা
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। ইউজিসি-র নিয়মানুযায়ী ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানো হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে শুধু সিসি ক্যামেরাই নয় আরও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার হোক সেরকমই দাবি অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউয়ের। বুধবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আনাচ কানাচ ঘুরে দেখেন ইসরোর প্রতিনিধি দল। র্যাগিং রুখতে প্রথমে ইসরোর দ্বারস্থ হন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

যদিও ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা প্রায় এক মাস পেরোলেও এখনও ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা বসানো যায়নি। তবে, কর্তৃপক্ষের তরফে ‘স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে যেখানে ক্যামেরার প্রয়োজন কেবল সেখানে সেখানেই ক্যামেরা বসবে। তবে, এই বিষয়ে পড়ুয়াদের জানাতে হবে। কারণ, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেক হোল্ডার। ফলে পড়ুয়া-কর্তৃপক্ষের মতবিরোধেই ধোঁয়াশা তৈরি হচ্ছে ক্যামেরা বসানো নিয়ে।
![]()
যাদবপুর পরিদর্শনে ইসরো, নতুন কোন প্রযুক্তির সন্ধান দিল প্রতিনিধি দল?
যাদবপুর ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় ১৩ জন পড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেল হেফাজতে রেখে তাঁদের জেরা করা হচ্ছে। তবে, ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় বেশি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। কারণ, যাদবপুরে কোনও নিয়মই মানতেন না পড়ুয়ারা আর তা নিয়ে বরাবর উদাসীন ছিলেন কর্তৃপক্ষ। এবার যদিও ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও রকম ঢিলেমি চায় না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।




