সরকার টিকিয়ে রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এদিন ইমরানের সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব বাতিল করলেন ডেপুটি স্পিকার। যা অসাংবিধানিক বলে দাবী করেছেন তিনি। ফের বিদেশী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুললেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথমবার প্রবল চাপের মুখে মুখ্যমন্ত্রী ইমরান খান। আজই সরকার থেকে সরতে হতে পারে তাঁকে। তাই সমস্ত সমর্থকদের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভের জন্য তৈরি থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে আস্থা ভোটের আগে গভর্নরকে বরখাস্ত করলেন ইমরান খান। একইসঙ্গে স্পিকারকে সরানোর প্রস্তাব আনল বিরোধীরা।
আর কিছু মুহুর্তের অপেক্ষা। দ্রুত অনাস্থা প্রস্তাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পুদ হারাতে চলেছেন ইমরান খান। নাকি তার আগেই ইস্তফা দেবেন ইমরান! সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বিরোধী দলনেতা পাকিস্তান মুসলিম লিগের নাওয়াজ ভাগের শেহবাজ শরিফ।
তবে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি, তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী, শক্তি মন্ত্রী হামাদ আজ়হার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পারভেজ় খাট্টক সহ একাধিক মন্ত্রী ইমরান খানের পাশেই রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
নির্বাচনের মুখে বিস্ফোরক বক্তব্য পেশ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। তিনি বলেন, সিধুকে মন্ত্রীসভায় রাখার আবেদন এসেছিল পাকিস্তান থেকে।
ফের যুদ্ধ পরিস্থিতি আফগানিস্তানে, জনগনকে একজোট হওয়ার ডাক মাসুদের। গত বছরের আগস্ট মাসেই গনি সরকারের পতন ঘটিয়ে তালিবান প্রদেশে নিজেদের ক্ষমতা বিস্তার করে তালিবরা। তারপর যত সময় এগিয়েছে ক্রমশ দেশ ছাড়ার ধুম দেখা দিয়েছে সেখানকার সিংহভাগ নাগরিক সহ অন্যান্য কর্মরতদের মধ্যে। ধীরে ধীরে খালি হতে শুরু করে সেখানকার দূতাবাস। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই একাধিক সমস্যায় জড়িয়ে পড়ে তালিব সরকার।