নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বছরের আগস্ট মাসেই গনি সরকারের পতন ঘটিয়ে তালিবান প্রদেশে নিজেদের ক্ষমতা বিস্তার করে তালিবরা। তারপর যত সময় এগিয়েছে ক্রমশ দেশ ছাড়ার ধুম দেখা দিয়েছে সেখানকার সিংহভাগ নাগরিক সহ অন্যান্য কর্মরতদের মধ্যে। ধীরে ধীরে খালি হতে শুরু করে সেখানকার দূতাবাস। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই একাধিক সমস্যায় জড়িয়ে পড়ে তালিব সরকার। রাজকোষের সমস্যা থেকে শুরু করে বিদ্যুতের সমস্যা নিয়ে যখন অস্বস্তি তৈরি হয় খোদ তালিবদের অন্দরে সেই পরিস্থিতিতেই অস্বস্তি বাড়াল আহমেদ মাসুদের ন্যাশানাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্স।
আরও পড়ুনঃ Pig Kidney’s Transplantation: মানুষের শরীরে শুয়োরের কিডনি, অভূতপূর্ব সাফল্য শল্য চিকিৎসায়
এছাড়াও গনি সরকারের পতন ঘটিয়ে আফগানিস্তানে নয়া সরকার গঠনের লক্ষ্যে তালিবানদের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে (Imran Khan)। সেই নিয়ে কূটনীতিবিদের একাংশ মনে করেছিলেন, আফগানিস্তান তালিবানের দখলে চলে গেলে ভারতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারবে ইসলামাবাদ। সেকারণেই তালিবদের সমর্থনের রাস্তায় হাঁটছেন ইমরান।
তবে সে আশা কার্যত নিরাশায় দেখা দিয়েছে বর্তমান সময়ে। ইমরান খানকে আইএস আইয়ের হাতের পুতুলের তকমা দিয়েছে তালিব সরকার। যা নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বাক বিতন্ডাতেও জড়াতে দেখা গিয়েছে তালিবানদের। আর এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়েই স্বাধীন ও অবিভক্ত আফগানিস্তানের দাবি নিয়ে জোড়দার লড়াই করতে মরিয়া ন্যাশানাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্স।
সম্প্রতি এনপিএফের তরফ থেকে যথেষ্ট পরিমাণে ভাইরাল হয় একটি ভিডিয়ো। যেখানে আফগান নাগরিকদের চুপ করে বসে থাকার বদলে লড়াই করার আবেদন জানায় এনপিএফ কর্মীরা। এছাড়াও বিগত কয়েকদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবিতে এনপিএফ যোদ্ধাদের আশেপাশে অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল দেখে চমকে গিয়েছে অনেকেই।
ফের যুদ্ধ পরিস্থিতি আফগানিস্তানে, জনগনকে একজোট হওয়ার ডাক মাসুদের

এই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, আহমেদ মাসুদের ন্যাশানাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সের কাছে এই অত্যাধুনিক মিসাইল থাকায় কিছুটা হলেও কোনঠাসা হয়ে পড়তে পারে তালিবানরা। এছাড়াও আফগানিস্তানে গনি শাসনের অবসান ঘটার পর থেকেই প্রতি মুহূর্তে সেদেশের শহরের বুকে ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা গিয়েছে আফগান নাগরিকদের। তাই এই পরিস্থিতি বজায় থাকলে ফের আফগান প্রদেশে যে যুদ্ধ নিশ্চিত তা বলাই চলে।



