সমস্ত নাটকীয় পর্বের অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হলেন শেহবাজ শরিফ। শনিবার আস্থা ভোটের নির্দেশ দিয়েছিল পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে আগে থেকেই ইস্তফা দেন ইমরান খান। এরপর প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য বিরোধীদের তরফে শেহবাজ শরিফের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমবার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ভোটাভুটি পর্বে জয়লাভ করেন তিনি।
টলমল অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ইমরানের গদি। পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন রুখতে মরিয়া চেষ্টা ইমরান খানের দলের। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শনিবার আস্থা ভোটের মুখে পড়তে হয়েছে ইমরান খানের সরকারকে। শোনা যাচ্ছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন নাওয়াজ শরিফের ভাই শাহবাজ শরিফ।
সুপ্রিম নির্দেশে আজ পাকিস্তানে আস্থা ভোট। কড়া চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে চলেছেন ইমরান খান। আর কিছু সময়ের মধ্যেই নির্ধারিত হতে চলেছে ইমরান খানের ভবিষ্যত। বিরোধীদের দাবী, খুব শীঘ্রই পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছে ইমরানের দল তেহেরিক-ই-ইনসাফ। জানা গিয়েছে, তাঁর নিজের দলের প্রায় ১২ জন সাংসদ সরতে অসমর্থন করবেন ইমরানকে।
পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জানিয়েছেন, ‘ইমরান খান সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন। তিনি আর প্রধানমন্ত্রী নন। আগামীকাল সংসদে অধিবেশন। আসুন আগামীকাল ভোট গ্রহণ করি। বিষয়টি নিষ্পত্তি করি। এরপর আমরা স্বচ্ছ নির্বাচনের কাজ শুরু করতে পারি।
রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হয়ে অ্যাসেম্বলি ভেঙে দেওয়ার আর্জি জানান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এরপরেই অ্যাসেম্বলি বাতিল করে দেন রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভি। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন। জানাচ্ছেন পাক মন্ত্রী ফারুক হাবিব। ভোট না হওয়া অবধি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন ইমরান।