নজরবন্দি ব্যুরোঃ সমস্ত নাটকীয় পর্বের অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হলেন শেহবাজ শরিফ। শনিবার আস্থা ভোটের নির্দেশ দিয়েছিল পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে আগে থেকেই ইস্তফা দেন ইমরান খান। এরপর প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য বিরোধীদের তরফে শেহবাজ শরিফের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমবার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ভোটাভুটি পর্বে জয়লাভ করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: হাঁসখালির ঘটনা কি লাভ অ্যাফেয়ার? খতিয়ে দেখার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর


পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এদিন ভোটাভুটি পর্বের আগে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ওয়াকআউট করেন পিটিআই। ইমরান খান একটি ট্যুইট করে জানিয়েছেন, একজন মানুষ যার বিরুদ্ধে ১৬ বিলিয়ন এবং ৮ বিলিয়ন আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত করা দেশের জন্য অপমানজনক।

শাহবাজের নিজের দল মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)-এর পাশাপাশি পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি), মুত্তাহিদা মজলিস-ই-আমল-সহ বেশ কয়েকটি দলের সমর্থন পেয়েছেন শাহবাজ।


শেহবাজ পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সবচেয়ে দীর্ঘকালীন মুখ্যমন্ত্রী। শেহবাজ তিনবার এই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৭ সালে প্রথমবারের মতো পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু ১৯৯৯ সালে জেনারেল পারভেজ মোশাররফের হাতে অভ্যুত্থানের পর, তাকে পাকিস্তান ছাড়তে হয়। পরবর্তী আট বছর সৌদি আরবে নির্বাসনে কাটাতে হয়েছিল শেহবাজ শরিফকে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হলেন শেহবাজ শরিফ, বিরাট জয়

এরপর শেহবাজ শরিফ ও তার ভাই ২০০৭ সালে পাকিস্তানে ফিরে আসেন। এর পর তিনি আবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং তার দল ২০০৮ সালে সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে। ২০১৩ সালে তৃতীয়বারের মতো পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেয়াদ শুরু হয় এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে পিএমএল-এনের পরাজয়ের আগ পর্যন্ত তিনি পূর্ণ মেয়াদের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর শেহবাজ শরিফকে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়।







