নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুপ্রিম নির্দেশে আজ পাকিস্তানে আস্থা ভোট। কড়া চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে চলেছেন ইমরান খান। আর কিছু সময়ের মধ্যেই নির্ধারিত হতে চলেছে ইমরান খানের ভবিষ্যত। বিরোধীদের দাবী, খুব শীঘ্রই পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছে ইমরানের দল তেহেরিক-ই-ইনসাফ। জানা গিয়েছে, তাঁর নিজের দলের প্রায় ১২ জন সাংসদ সরতে অসমর্থন করবেন ইমরানকে।
আরও পড়ুনঃ Ballygaunge: বাবুলের অতীত রাজনীতি ভাবাচ্ছে তৃণমূলকে, ভোট ব্যাঙ্ক ফিরবে বামেদের!
বিরোধীদের তরফে দাবি করা হচ্ছে ৩৪২ টি আসনের মধ্যে ১৭২ টি আসন রয়েছে বিরোধী দখলে ফলে সরকার গঠন করতে চলেছে বিরোধী পক্ষ। শুক্রবার রাতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ রাখতে গিয়ে ইমরান খান বলেন, বিদেশী শক্তিগুলি এমন একজন প্রধানমন্ত্রী চায় যাকে ব্যবহার করা যেতে পারে। সেকারণেই তারা তাঁকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের উপর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছেন। এমনকি এর পিছনে আমেরিকার কূটনীতিকদের হাত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা ২২ কোটি মানুষ। কেউ ২২ কোটি মানুষকে নির্দেশ দিচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সেই খবর তিনি প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন না। অনাস্থা প্রস্তাবে ইমরানের সরকার একপ্রকার ভেঙে পড়বে একথা ধরে নিয়েই রবিবার শান্তিপূর্ণ এবং সাংবিধানিকভাবে দেশের জনতাকে রাস্তায় নামার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
টানা চার দিন ধরে শুনানির পর অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ এবং ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে বৃহস্পতিবার অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করে পাক সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি আটা বান্দিয়ালের ৫ সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেছে।
সুপ্রিম নির্দেশে আজ পাকিস্তানে আস্থা ভোট, কঠিন পরীক্ষা ইমরানের

এখন প্রশ্ন উঠেছে, কে হচ্ছেন পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী? ইমরান খান অনাস্থা ভোটে হারলে দেশটিতে নতুন করে সরকার গঠন হবে। পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন বিরোধী নেতা ও পাকিস্তান মুসলিম-লিগ-নওয়াজের (পিএমএল-এম) শেহবাজ শরিফ। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভাই। বুধবার (৩০ মার্চ) পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি শেহবাজ শরিফের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।



