নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথমবার প্রবল চাপের মুখে মুখ্যমন্ত্রী ইমরান খান। আজই সরকার থেকে সরতে হতে পারে তাঁকে। তাই সমস্ত সমর্থকদের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভের জন্য তৈরি থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে আস্থা ভোটের আগে গভর্নরকে বরখাস্ত করলেন ইমরান খান। একইসঙ্গে স্পিকারকে সরানোর প্রস্তাব বিরোধীদের।
আরও পড়ুনঃ Fuel Price Hike: ১৩ দিনে ৮ টাকা বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম, নাভিশ্বাস আম জনতার


পাকিস্তানে মোট আসনের সংখ্যা ৩৪২। ২০১৮ সালে নির্বাচনে ১৫৫ টি আসন পেয়েছিল ইমরান খানের দল। সেইসময় শরীক হয়েছিল এমকিউএম এবঙ্গ বিএপির মতো দলগুলি। এখন জোটের হাত আলগা করছে শরীকরাই। শোনা যাচ্ছে, ইমরানের দল তেহেরেক-ই-ইনসাফ পার্টির সাত জন সাংসদ ইমরানের সরকারের বিরুদ্ধে আস্থা ভোট দিতে রাজি হয়েছে। একইসঙ্গে ইমরানের বিরুদ্ধে ভোট দিতে চলেছে এক ডজনের বেশী শরীক দলের সাংসদরা।

শনিবারেই বৈঠকে অনুগামীদের ইমরান বার্তা দিয়েছে যাতে তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে সমর্থকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। স্বাধীন পাকিস্তানের জন্য এই লড়াই বলে জানিয়েছেন তিনি। তাই সারা দেশজুড়ে ১৪৪ ধারা লাগু করা হয়েছে। বিশেষ শহরে বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে।


Pakistan's Opposition member has moved a motion for the removal of Asad Qaiser, National Assembly Speaker, ahead of Imran Khan's No-trust vote
(Photo source: Bilawal Bhutto Zardari) pic.twitter.com/4WAYsJpmYV
— ANI (@ANI) April 3, 2022
এই মুহুর্তে ইমরানের কাছে তিনটি বিকল্প রয়েছে। এর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে ইস্তফা। যদি তিনি ইস্তফা দেন তাহলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে। দুই, আস্থা ভোটে অংশগ্রহণ করা। তিনি, নির্বাচন এগিয়ে নিয়ে আসা। যেটা ইমরানের শেষ বিকল্প হতে চলেছে।
স্পিকারকে সরানোর প্রস্তাব বিরোধীদের, বিরাট চাপে ইমরান সরকার

বিরোধীদের দাবী, খুব শীঘ্রই আস্থা ভোটে সরকার পড়তে চলেছে ইমরানের। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন পাকিস্তান মুসলিম লিগের নওয়াজবাদী দলের শেহবাজ শরিফ। যিনি পরিচয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভাই।







