প্রবল গরমে নাজেহাল মানুষ। জেলায় জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা। এই সময় ত্বক ও চুলে নানা সমস্যা দেখা যায়। বিশেষ করে যাদের রোজ বাইরে বেরোতে হয় তাঁদের আরও অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়। মাথায় ধুলো, ঘাম জমে চিটচিটে ভাব, দুর্গন্ধ দেখা যায়।
গরম হাওয়া, ঘামের চোটে মাথার তালুতে তৈলাক্তভাব দেখা যায়, চুল থেকে দুর্গন্ধ আসতে শুরু করে। চুল পড়ার পরিমাণও বেড়ে যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি (Hair care solution) পাবেন কীভাবে?
দোলের দিন বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে চুলে ভালো করে নারকেল তেল (Coconut Oil) বা বাদাম তেল (Almond Oil) মেখে নিন। বিশেষ করে চুলে আগায় তেল মেখে নিতে হবে। এই তেল রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে, ফলে চুলে রঙ লাগলেও বেশি ক্ষতি হবে না।
অত্যধিক দূষণ, আবহাওয়া- এমন নানা কারণে চুলের বারোটা বেজে যায়। এই সময়ে চুলের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন হয়। অনেকেই চুলের যত্ন নিতে পার্লারে যান, কিন্তু অনেকের পক্ষে আবার এত টাকা খরচ করা সম্ভব নয়। তাই এই সব চিন্তা ভুলে বাড়িতেই করুন হেয়ার স্পা।
শীতকালে আমরা খুব কম জল পান করে থাকি। এর ফলে শরীরে ডিহাইড্রেশানের স্তর বৃদ্ধি পায় এবং খুশকি দেখা দেয়। তাই দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস জল পান করুন। দইয়ের সাহায্যেও খুশকি দূর করতে পারেন। স্ক্যাল্পে দই লাগিয়ে কিছুক্ষণের জন্য ছেড়ে দিতে হবে। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে নিন। এর ফলে খুশকি দূর হয়।
বাতাসে ঠান্ডার শিরশিরানি ভাব এসে গেছে দিব্যি! কাজেই এটাই সময় ত্বক আর চুল পরিচর্যার রুটিন পালটে ফেলার! আপনার চুলের ধরন যাই হোক না কেন, শীতের রুক্ষতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কিন্তু বেশ কঠিন লাগতে পারে।
শিয়া সিডে আছে প্রোটিন, কপার ও ফসফরাস। এই উপাদানগুলি চুলের ঘন ভাবকে রক্ষা করে। মজবুত ও মোটা চুলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিয়াদানার কেরাটিন। চুলের ভঙ্গুর ভাব কমিয়ে নতুন চুল জন্মাতে সাহায্য করে শিয়াদানার কপার।