এবার প্রতিদিন স্নানের আগে ভাল করে চুলের গোড়ায় এই মিশ্রণ মাখতে হবে। ঘণ্টা খানেক রেখে ঠাণ্ডা জলে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে। রাতে মেখে ঘুমিয়ে পড়লেও ভাল কাজ হবে। তবে ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা থাকলে স্নানের ঘণ্টা খানেক আগে ব্যবহার করলেই কাজ পাবেন। এভাবে রোজ ব্যবহার করতে হবে।
ঘন, কালো লম্বা চুল আজও সব মেয়ের প্রথম পছন্দ। কিন্তু সমস্যা হল ভুল খাদ্যাভ্যাস এবং দূষণ। চুল ঘনও হয় না, লম্বাও। তাহলে উপায়? চিন্তা নেই। রান্নাঘরের কয়েকটা উপাদান ব্যবহার করেই ঘন চুল পাওয়া যাবে। চুল লম্বাও হবে রূপকথার রাপুনজেলের মতো। কী করতে হবে? দেখে নেওয়া যাক সেগুলো।
এছাড়া বর্ষায় ত্বকের সংক্রমণও খুব সাধারণ একটি সমস্যা। ফলে এই সময় নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। সেই সঙ্গে খাওয়াদাওয়ার প্রতিও বিশেষ যত্ন নিতে হবে। তবে আর একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে, যেটা অধিকাংশ মানুষই এড়িয়ে যায়। আসলে এই সময় যে চুলের প্রতিও বাড়তি যত্ন (Hair care) নিতে হয়, সেটা অনেকেই ভুলে যান।
অতিরিক্ত চুল উঠে টাক পড়ে যাচ্ছে? মুক্তি মিলবে ঘি থেকে, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। দূষণের কারণে চুল তার জেল্লা হারিয়ে ফেলে। আর এই জেল্লা ফেরাতে চুলের যত্নে দারুণ কাজ করে ঘি। দু চামচ ঘি’র সঙ্গে মিশিয়ে নিন এক চামচ নারকেল তেল। সপ্তাহে একদিন চুলে ভাল করে মেখে নিন। তারপর কিছুক্ষণ রেখে শ্যাম্পু করে নিন। দেখবেন জেল্লা ফিরে আসবে।
মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত সৌন্দর্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে Vitamin E-তেই, জানুন আসল রহস্য। ভিটামিন ই (Vitamin E) ১৯২২ সালে প্রথম বার্কলে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী হার্বার্ট এম ইভান্স এবং ক্যাথরিন বিশপ দ্বারা আবিষ্কৃত হয়। ভিটামিন ই সেই থেকে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চর্মরোগবিদ্যায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
স্ট্রেসের কারণে অত্যাধিক চুল ঝরছে? কি করে ঠিক করবেন? জানুন। সবদিকে মনোযোগ দিলেও চুলের দিকে তেমন যত্ন নেওয়া হয় না। কিন্তু মাথার ত্বক যাতে সতেজ এ স্বাস্থ্যকর থাকে, তার জন্য বেশ কয়েকটি সবজ ও ঘরোয়া প্রতিকার দেখে চুলের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে সেই উপায়গুলি আপনার জন্য আদৌও কতটা উপযুক্ত, তা আগে জানা দরকার।