পাট ক্ষেতের পাশেই থাকা একটি পুরানো বাড়িতে মহিলাকে তুলে নিয়ে যায় ওই দুই যুবক। তারপরেই সারা রাত তাঁকে ওই ঘরে আটকে রেখে দফায় দফায় চলে গণধর্ষণ। পরে বাড়ি ফিরে এলাকায় সব ঘটনা খুলে বলে ওই মহিলা।
সৈকত নগরীতে ঘটে গিয়েছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। কম খরচে হোটেল দেখানোর নাম করে তরুণী পর্যটককে গণধর্ষণের অভিযোগ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় রঙ লেগেছে রাজনীতির।
যুবতীকে গণধর্ষণের পর তাঁর সঙ্গে চলে অকথ্য নির্যাতন। যার বর্ণনা দিতে গেলেও গা শিউরে উঠবে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহে। রবিবার ঝোপের মধ্যে থেকে ওই যুবতীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
নির্যাতিতা নাবালিকা নাম দুটি বললে গ্রামবাসীদেরও চিনতে অসুবিধা হয়নি। পুলিশে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নাবালিকার পরিবারের তরফে মোথাবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। গ্রামবাসী এবং নির্যাতিতার পরিবারের সাহায্যে অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। অন্য অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। নির্যাতিতাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
গণধর্ষণের ঘটনায় উত্তরপ্রদেশে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সরকারকে নিশানা করেছেন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে লখিমপুর খেরি, হাথরাস, উন্নাওয়ের মত নারী নির্যাতনের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল উত্তরপ্রদেশ। যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা।