সৈকত নগরীতে ঘটে গিয়েছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। কম খরচে হোটেল দেখানোর নাম করে তরুণী পর্যটককে গণধর্ষণের অভিযোগ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় রঙ লেগেছে রাজনীতির। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পর দিঘাকাণ্ডে সরব হলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Bengal BJP President Sukanta Majumdar)।



আরও পড়ুন: মালদহে নাবালিকার নৃশংস হত্যাকাণ্ড, মৃতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন সুকান্ত মজুমদার
সংসদের অধিবেশনের কাজে দিল্লিতে গিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাট সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিঘার ঘটনা নিয়ে বলেন, ‘আমাদের রাজ্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র দিঘা। পর্যটন থেকে মূলধন লাভ করে রাজ্য। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে রাজ্য সরকারের ক্ষতি হবে। কোষাগারের ক্ষতি হবে। সাধারণ মানুষের ক্ষতি হবে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।



দিঘা গণধর্ষণকাণ্ডে বিজেপি বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও দলের সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই আঙুল তুলেছে। তাদের অভিযোগ, ‘বাংলায় নারী সুরক্ষা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে মহিলারা নিরাপদ নয়। এই ঘটনা শুধু দিঘা নয়, সারা বাংলার লজ্জা।’
‘রাজ্য সরকারের ক্ষতি হবে’, দিঘার গণধর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা সুকান্তর

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে এক যুগল দিঘায় ঘুরতে আসে। নানা জায়গায় ঘোরার পর রাত কাটানোর জন্য হোটেলের খোঁজ শুরু করেন। সেইসময় কয়েকজন যুবক তাঁদের ঘর খুঁজে দেবে বলে জানায়। দিঘাশ্রী পেরোতেই যুগলকে একটি জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে যায়। অভিযোগ, প্রথমে প্রেমিককে হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়। এরপর তাঁর সামনেই তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয়। পুলিশে অভিযোগ করা হলে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি দুজন এখনও পলাতক। সোমবার ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে কাঁথি মহকুমা আদালত।








