এই ধারা অনুযায়ী, ধর্ষণের সাজা হিসাবে মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া যেতে পারে। এই দুটি ধারার ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই এলাহাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি এই মামলাগুলিতে মহিলাদের যুক্ত করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন।
প্রেমিকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন তরুণী। তৃণমূল কাউন্সিলরের কাছে রেখেছিলেন সুরাহা করে দেওয়ার দাবি। কিন্তু সুবিচারের বদলে মিলল পুনরায় ধর্ষণ ও প্রাণনাশের হুমকি।
ঘটনার তদন্ত শুরু করে চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ তাদের জেরা করা চলছে৷ প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের ধারণা সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরেই ওই যুবতীর উপর অত্যাচার চালানো হয়৷
এদিকে গতকালই সিবিআই নিয়ে কিছুটা ভোল বদল হয়েছে দিলীপ ঘোষের। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি জানান, এখন সিবিআই একমাত্র ভরসা। তাঁর বক্তব্য, 'এছাড়া উপায় কী আছে? ভরসা যখন টেকে না, তখনই প্রশ্ন ওঠে। তিনি জানান, কোর্টও CBI-এর ওপর ভরসা রেখেছে। এছাড়া তো দ্বিতীয় রাস্তা নেই।'
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ অগস্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় মোবাইল ফোন সারাতে বাড়ির কাছাকাছি একটি দোকানে গিয়েছিল ওই কিশোরী। সেখানে ২১ বছর বয়সি তার এক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা হয়। তার পর কথা বলতে বলতে তারা এলাকায় হাঁটতে থাকেন। এর পরই কিশোরীকে একটি এলাকায় নিয়ে যান তার বান্ধবী।
একটি মার্কেট এলাকায় তার পিছু নেয় তিনজন। তাকে তুলে নিয়ে বসানো হয় একটি গাড়িতে (Car)। তারপর সেই গাড়ি চলতে শুরু করে। একজন স্টিয়ারিংয়ে, অন্য দু’জন মেয়েটিকে নিয়ে বসে গাড়ির পিছনের সিটে। প্রথমে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা। তারপর গণধর্ষণ (Gang Rape)—এমনই নারকীয় ঘটনা ঘটেছে রাজধানী দিল্লিতে (Delhi)।