নজরবন্দি ব্যুরোঃ কথায় আছে ‘মেয়েদের শত্রু মেয়েরাই।’ বান্ধবীর খপ্পরে পড়ে গণধর্ষণের শিকার হল ১১ বছরের এক কিশোরী। মোবাইল সরাতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল এক নাবালিকা। সেই সময় তাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্জন স্থানে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল তিন যুবকের বিরুদ্ধে। আর পুরো ঘটনাটি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল তারই বান্ধবী! ঘটনার ছ’ঘণ্টার মধ্যেই কিশোরীর বান্ধবী ও দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অধরা আরও এক যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ দুর্নীতি ইস্যুতে ফোঁস করছে বিজেপি, আলগা সংগঠন ভোগাবে না তো?


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ অগস্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় মোবাইল ফোন সারাতে বাড়ির কাছাকাছি একটি দোকানে গিয়েছিল ওই কিশোরী। সেখানে ২১ বছর বয়সি তার এক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা হয়। তার পর কথা বলতে বলতে তারা এলাকায় হাঁটতে থাকেন। এর পরই কিশোরীকে একটি এলাকায় নিয়ে যান তার বান্ধবী। সেখানে তাঁর তিন বন্ধুকে ডেকে পাঠান। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন তরুণীর তিন বন্ধু। ওই এলাকায় কিশোরীকে বন্দি করে রাখা হয়।

তিন যুবকের মধ্যে কোনও এক জনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়তে কিশোরীকে হুমকি দেন ওই তরুণী। এর পরই তাকে দুই যুবক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। অপর যুবক যৌন নির্যাতন করেন। গোটা ঘটনা ‘উপভোগ’ করেন কিশোরীর ওই বান্ধবী। পরেরদিন সকালে চারজন মিলে গাড়ি করে নাবালিকাকে তার বাড়ির কাছে ফেলে দিয়ে চম্পট দেয়। বাড়ির লোকজনকে গোটা ঘটনা জানায় সে। তারপর বিরার থানায় গিয়ে চারজনের নামে লিখিত অভিযোগ জানায় নাবালিকার পরিবার।
বাড়ি পৌঁছে গোটা ঘটনা তার মাকে জানায় কিশোরী। মেয়ের কথা শোনামাত্রই ভিরার থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তার মা। এর পরই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, তিন যুবকের মধ্যে এক জন কলেজ পড়ুয়া, অন্য জন সব্জি বিক্রেতা। আরেক যুবক মাদক কারবারে যুক্ত বলে সন্দেহ পুলিশের।


৩ যুবককে দিয়ে ‘গণধর্ষণ’ করাল বান্ধবী, নারকীয় ঘটনার সাক্ষী দেশ

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমেই ধরা পড়ে ওই তরুণী। তার পর সেই সূত্র ধরেই আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে একজন অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। পকসো আইনে মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত চালানো হচ্ছে।







