সারা কলকাতা জুড়ে উড়ছে প্রজাপতি। সকলের মনেও যে উড়ছে তাতে সন্দেহ নেই। জানুয়ারির প্রথম দিনে বিশাল অঙ্কের টাকা ঢুকেছে প্রযোযক দেবের কাছে। ইতিহাস বলছে যে ছবি ঘিরে যত বিতর্ক সেই ছবি তত ছাপ ফেলে যায় বক্সঅফিসে। তবে শুধুই কি বিতর্ক? প্রজাপতি জুড়ে রয়েছে দেব-মিঠুনের মতো তাবড় অভিনেতা আর অনেকটাই ইমোশন।
দায়িত্বপূর্ণ নেতা, দায়িত্বপূর্ণ কর্মী, দায়িত্বপূর্ণ পাহারাদার। এটা মনে রাখুন। প্রত্যেককে কাজ করতে হবে। আমি একা খেটে মরব, আপনারা ভাববেন না, সেটা হবে না।”
দেব নয়, মিঠুন চক্রবর্তীর অভিনয়ের জন্য ফ্লপ হচ্ছে প্রজাপতি। বরং পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মিঠুন চক্রবর্তীকে দশ গোল দিয়েছে। একথা বলে দলের অন্দরেই দ্বন্দ্ব বাড়িয়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। পাল্টা মন্তব্য করে দলের নেতার বিপক্ষেই সুর চড়িয়েছিলেন অভিনেতা দেব। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও একটি নাম। তৃণমূলের যুব সভাপতি সায়নী ঘোষ। মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে কথা বলার ক্ষমতা নেই।
গেরুয়া আর সবুজ রাজনীতির দুই মেরুকে মিলিয়ে দেবে প্রজাপতি, এটাই ছিল আশা। কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওয়া গেল না। নন্দনে দেব ও মিঠুন অভিনীত প্রজাপতি মুক্তি পেল না। আর তাই নিয়ে দেবের একটা ছোট্ট ট্যুইট সরগরম করে রাখল রাজ্য রাজনীতি থেকে বিনোদন দুনিয়া।