ডেঙ্গু রোগীকে অহেতুক প্লেটলেট দেওয়ার কারণেই অসংখ্য রোগীর প্রাণসংশয় হচ্ছে। অধিকাংশ রোগীদের একটা বড় অংশে ফুস্ফুসে জল জমে, হার্ট ফেলিওর হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন। এই ঘটনাগুলি বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতালে হচ্ছে বলেই ধারণা স্বাস্থ্যভবনের।
এখনও পুরোপুরি শীত আসতে পারেনি কলকাতায়। তবে তাপমাত্রার তারতম্য বেশ লক্ষ করা যাচ্ছে। বাতাসে রয়েছে শীতের আমেজ। তবে জাঁকিয়ে ঠাণ্ডা পরার অপেক্ষায় বসে রয়েছে দমদমবাসী। কারন রাজ্যে যেভাবে ডেঙ্গু প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছে জাঁকিয়ে শীত না পরলে সংক্রমন কমবে না। এমনটাই মনে করেন দমদম পুরসভার এলাকাবাসী। কবে ডেঙ্গু থেকে পুরোপুরি নিস্তার পাওয়া যাবে?
রাজ্যে শীতের আমেজ বেশ কিছুদিন আগে থেকেই চলে এসেছিল। যার ফলে কিছুটা আশায় বুক বেঁধেছিল রাজ্যের মানুষ। কারন শীত পরতে শুরু করলে সাধারণত ডেঙ্গুর মশার বাড়বাড়ন্তি কিছুটা হলেও কমে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গু আক্রান্ত রুগীর পরিসংখ্যান কিছুটা হলেও কমেছিল। কিন্তু কিছুদিন পার হতেই আবার পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে সেই সংখ্যা।
ডেঙ্গুর সংক্রমন কমলেও কিন্তু থেমে নেই মৃত্যু। আবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে SSKM-এর পড়ুয়া-চিকিৎসকের মৃত্যুর খবর সামনে এলো। এই ঘটনায় বেশ উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তার আগের দিনই হাওড়াতে আরও এক তরুণীর মৃত্যুর খবর সামনে এসেছিল
একলাফে এক সপ্তাহে রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ল দ্বিগুণ। স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই সপ্তাহে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪,৭৪৪-এ। গত সপ্তাহেও যা ছিল ৪,২২৪-এ।
উৎসবের মরশুমের আগেই হুহু করে বাড়ছে রাজ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ। সোমবার রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ ৮৪০ টি নতুন সংক্রমণের রিপোর্ট করার সাথে সাথে জানিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকছে।
পুজোর মুখেই হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু। আর এবার ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। গতকাল ক্যামাক স্ট্রিটের উপর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ভর্তি হন।