নজরবন্দি ব্যুরো: উৎসবের মরশুমের আগেই হুহু করে বাড়ছে রাজ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ। সোমবার রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ ৮৪০ টি নতুন সংক্রমণের রিপোর্ট করার সাথে সাথে জানিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকছে। স্বাস্থ্য আধিকারিক ও চিকিত্সকরা জনগণকে সতর্ক থাকতে এবং জল জমতে না দেওয়া এবং মশারি ব্যবহার করার মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: অভিষেকের অফিসের সামনে থালা বাজিয়ে বিক্ষোভ, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের প্রার্থীদের


গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু’র (DENGUE) কবলে পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। মৃতদের তালিকায় রয়েছেন ২ মহিলা ও ১ শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় পরপর তিনটি মৃত্যুর ঘটনায় নেমে এসেছে আতঙ্ক। সতর্ক থাকার কথা বলা হচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, বাংলায় ক্রমাগত বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। ১০ দিন আগে বাংলায় ডেঙ্গুর পজিটিভিটির হার ছিল ১০%। এটি ১২% বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই সংক্রমণের বেশিরভাগই হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং এর মতো জেলা থেকে রিপোর্ট করা হয়েছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার খবর পাওয়া মাত্রই এই রোগ নিয়ে তত্পর হয়ে উঠেছে পুরসভা। এলাকা থেকে জল সংগ্রহ, ময়লা পরিষ্কার, এলাকায় মশা-কীটনাশক স্প্রে করার কাজ শুরু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৮০০ পার করল রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা, উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা



বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এখন যে আবহাওয়া রয়েছে, তা স্ত্রী মশা এডিস ইজিপ্টাই বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ। এবং ওই মশাই ডেঙ্গির (DENGUE) মূল কারণ। কলকাতা পুরসভা পুজোর পর ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়বে বলে মনে করছে। কলকাতা পুরসভার মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, ‘উপসর্গহীন ডেঙ্গি আক্রান্তই এখন চিন্তার কারণ। পুরসভা জ্বর হলেই রক্ত পরীক্ষা করানোর কথা বলছে। কিন্তু অনেকেই শুনছে না। কিছু না জানিয়েই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যাচ্ছেন। যা ঠিক নয়। আর মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। ছোট পাত্রে জল জমতে দেওয়া যাবে না। ডেঙ্গির বিরুদ্ধে লড়াই সারাবছর করতে হবে। তবে ঠাণ্ডা পড়লে ডেঙ্গির প্রকোপ কম হবে।’







