Abhishek Banerjee: অভিষেকের অফিসের সামনে থালা বাজিয়ে বিক্ষোভ, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের প্রার্থীদের

অভিষেকের অফিসের সামনে থালা বাজিয়ে বিক্ষোভ, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের প্রার্থীদের
Madrasa Service Commission candidates aspirants staged protest in front of abhishek banerjee office

নজরবন্দি ব্যুরো: আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিট অফিসের সামনে থালা বাজিয়ে বিক্ষোভ দেখায় মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের প্রার্থীরা। চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, তাঁরা নিয়োগের দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্মারকলিপি দিতে এসেছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাঁদের বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীদের দাবি, ২০১৪ সালের মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা হয়। তারপরও মেলেনি চাকরি।

আরও পড়ুন: আলাপন মামলায় রাজ্য সরকারের খরচ হচ্ছে কোটি কোটি টাকা, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

এদিন এই বিক্ষোভ থেকে বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, ২০১৪ সালে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা হয়। ২০১৬ সালে ফলাফল প্রকাশের পর ২০১৮ সালে প্যানেল ছাড়াই ১৫০০ চাকরীপ্রার্থীর নিয়োগ হয়। প্যানেলে স্বচ্ছতা এবং অবিলম্বে নিয়োগের দাবি তোলেন তাঁরা। চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান।

অভিষেকের অফিসের সামনে থালা বাজিয়ে বিক্ষোভ, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের প্রার্থীদের
অভিষেকের অফিসের সামনে থালা বাজিয়ে বিক্ষোভ, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের প্রার্থীদের

তাঁদের আশা,’ আমরা এর আগে এসেছিলাম, অভিষেকবাবু এর আগে এসএসসি-র চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। আশ্বস্ত করেছিলেন, তারপর থেকেই নিয়োগের ব্যবস্থা হয়েছে। আমরা চাই আমাদের সঙ্গেও দেখা করুন, কিছু একটা ব্যবস্থা করুন। কেন চেয়ারম্যান আমাদের সঙ্গে দেখা করছেন না।’ রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ মামলা নিয়ে একাধিক আইনি জটের মাঝে এদিনই মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগে তৎপর হন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রী গোলাম রব্বানি।

অভিষেকের অফিসের সামনে থালা বাজিয়ে বিক্ষোভ, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের প্রার্থীদের

21 17

তিনি আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি কৃশানু গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। আলোচনায় বসে দ্রুত জটিলতা কাটানো নিয়ে কথা হয় দু’জনের মধ্যে। পুজোর পর ১৩ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসতে চান। অন্যদিকে, শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সূত্রের খবর, এবার থেকে বছরে একটি নির্দিষ্ট সময়ে শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে রাজ্য।