আর এই নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এটা কী ধরনের ঘটনা ঘটছে? ছিঃ, যে রাজ্যপাল নাকি সকলের অভিযোগ শুনবেন বলে পিসরুম খুলেছেন তাঁর বিরুদ্ধেই তো অভিযোগ রয়েছে। এটার নিষ্পত্তি কে করবেন? তাই কি উনি পিসরুম চালু করেছেন?’
সন্দেশখালি গিয়ে গ্রামের মহিলাদের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শুনলেন সমস্ত অভিযোগ। কথা দিলেন, তাঁর ক্ষমতার এত্তিয়ারের মধ্যে থেকে যতটা করা সম্ভব তা তিনি করবেন। এদিন রাজ্যপালের কাছে করজোড়ে সাহায্য পার্থনা করেন দ্বীপাঞ্চলের মহিলারা।
ইতিমধ্যেই, অভিযুক্ত সন্দেশখালির জেলা পরিষদ সদস্য উত্তম সর্দারকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। দলগত রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক।
উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আচার্য তথা রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের বৈঠকে যে সব সিদ্ধান্তগ্রহণ করা হয়েছিল তার কোনওটাই রাজ্যপাল বাস্তবায়িত করেননি বলে অভিযোগ।