পাশাপাশি এই যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পিএইচডি অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি পালন করা হচ্ছে, এটা কোন কনভোকেশন নয়, এই অভিযোগ তুলে আজ কলেজস্ট্রিটে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেটের সামনে রাস্তার উপর বসে বিক্ষোভ দেখায় এই ছাত্র পরিষদের একাংশ।
যদিও,এই শপথবাক্য পাঠ করানোর পরে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, যে হেতু বিধানসভার অধিবেশন চালু রয়েছে , তাই রাজ্যপালের চিঠি কোনো মান্যতা পাবে না। রুলস অফ বিজনেসের ২ নম্বর অধ্যায়ের ৫ নম্বর ধারা মেনেই তিনি শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন সায়ন্তিকা-রেয়াতকে।
এর পর রাজভবনের তরফে অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে যৌন হেনস্তার অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়। সেখানে ৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। তার ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি জানিয়ে দেয়, ওই মহিলা কর্মীর তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন। ক্লিনচিট দেওয়া হয় সি ভি আনন্দ বোসকে।
তাই বিধানসভার পক্ষ থেকে স্থির করা হয়েছে আগামী ২৩ শে জুলাই এই চার বিধায়কের শপথ গ্রহণ করানো হবে। এখন দেখার বিষয় আগামী সোমবারের মধ্যে রাজ্যপালের তরফে এই শপথ গ্রহণ সংক্রান্ত কোন চিঠি আসে কিনা। নাকি ফের শপথ গ্রহণ নিয়ে জটিলতার মুখে পড়তে হবে এই চার বিধায়ককে।
রাজ্যপাল নির্দেশ দিয়েছিলেন, বিধানসভার উপাধ্যক্ষ আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় শপথবাক্য পাঠ করাবেন। কিন্তু সেই পথে না হেঁটে বিধানসভা তাদের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী চলে। ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ৫ নম্বর ধারাকে হাতিয়ার করে বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে জয়ী দুই সদস্যকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।
এছারাও এই মামলায় তৃণমূল দুই জয়ী প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও রায়াত হোসেনকেও মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। আইনজীবী আর্জি জানান, এরা কেউ যাতে আগামিদিনে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মন্তব্য না করেন। উল্লেখ্য এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও নাম রয়েছে তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষেরও।
রাজভবন থেকে সবুজ সংকেত না মেলায় দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ আটকে রয়েছে। এবার শপথ গ্রহণের জন্য রাজভবন থেকে ডাকা হয়েছে শুধু সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত।