রচনার প্রচার থেকে এই দিন বিজেপিকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, “ সন্দেশখালি নিয়ে নাটক করে বেরালো। তার মানে মোদি মিথ্যা বকছে। একটা মেয়ের কাছে টাকা বড় কথা নয়। তার আত্মসম্মান চলে গেলে আর আসে না। আমরা সব বুঝি। একটা মেয়ে জানে না, তাঁকে দিয়ে কি লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে। যেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি। বেচারা জানতই না”।
সেখানকার কোনও ফুটেজ অবশ্য় দেওয়া হয়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। সেদিন রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আসার কথা ছিল রাজভবনে। সেকারণে পুলিশের তৎপরতা ছিল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে যেখানে শ্লীলতাহানি হয়েছিল বলা হচ্ছে সেখানে কি সিসি ক্যামেরা আদৌ আছে? উত্তর জানা নেই।
গত ২ মে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন এক তরুণী। তিনি হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগও দায়ের করেন। তিনি ছিলেন রাজভবনের একজন অস্থায়ী কর্মী। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার পর থেকে নড়েচড়ে বসেছে রাজভবন।
এখানেও একজন মহিলাকে ব্যবহার করা হয়েছে। সম্মানীয় মানুষকে কীভাবে অপমান করতে হয়, তৃণমূল তা দেখিয়ে দিয়েছে। তৃণমূলের এই নিকৃষ্ট রাজনীতি একদিন তাঁদের পতনের কারণ হবে।”
আমার মন্ত্রী আপনাকে কেন এসব বলেছে। শুনে রাখুনস , আমার কাছে একটা নয়, ১,০০০ টা ঘটনা এসেছে। কিন্তু আমি কোনওদিন কোনও কথা বলিনি। কিন্তু কাল মেয়েটির কান্নায় আমার হৃদয় ভেঙে গিয়েছে”।